ওলা ইলেকট্রিকের স্টকে ভরাডুবি, ১৫৭ টাকা থেকে ২৫ টাকায় শেয়ার, ৫৭,০০০ কোটি টাকা লোকসান

ওলা ইলেকট্রিকের স্টকে ভরাডুবি, ১৫৭ টাকা থেকে ২৫ টাকায় শেয়ার, ৫৭,০০০ কোটি টাকা লোকসান

Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Ola Electric Stock Crashed: বিনিযোগকারীদের (Investment) বিপুল টাকার (Money) লোকসান (Loss)। যারা এই স্টকে বিনিয়োগ করেছিলেন তাদের অ্যাকাউন্টে হাহাকার নেমে এসেছে। এটি হল ওলা ইলেকট্রিকের শেয়ার (Ola Electric Share Price)।

ওলা ইলেকট্রিকের শেয়ারের দর ৮৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে
ভারতীয় শেয়ার বাজারে বৈদ্যুতিক টু-হুইলার প্রস্তুতকারক সংস্থা ওলা ইলেকট্রিক মোবিলিটি (Ola Electric Mobility)-র বিপর্যয় অব্যাহত। এক সময় যে সংস্থার শেয়ার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ ছিল, বর্তমানে তা কার্যত ‘জলের দরে’ এসে ঠেকেছে। গত কয়েক মাসে ওলা ইলেকট্রিকের শেয়ারের দর ৮৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

রেকর্ড উচ্চতা থেকে অতল গহ্বরে
২০২৪ সালে আইপিও (IPO) আসার পর ওলা ইলেকট্রিকের শেয়ারের ইস্যু প্রাইস ছিল ৭৬ টাকা। তালিকাভুক্ত হওয়ার পর দ্রুত গতিতে বেড়ে শেয়ারটির দাম সর্বোচ্চ ১৫৭.৪০ টাকায় পৌঁছেছিল। কিন্তু সেই সোনালি সময় বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বর্তমানে শেয়ারটির দর কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৫ টাকার আশেপাশে। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ স্তর থেকে এটি প্রায় ৮৪% নিচে এবং ইস্যু প্রাইস থেকে প্রায় ৭০% নিচে লেনদেন করছে। এই ধসের ফলে বিনিয়োগকারীরা সম্মিলিতভাবে প্রায় ৫৭,০০০ কোটি টাকা লোকসান করেছেন।

কেন এই পতন ? প্রধান কারণসমূহ
বাজারে দখল হারানো: ২০২৪ সালের শেষেও বৈদ্যুতিক স্কুটার বাজারে ওলার অংশীদারি ছিল প্রায় ৩৫%। কিন্তু বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সেই মার্কেট শেয়ার নাটকীয়ভাবে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.২ শতাংশে।

পরিষেবা ও গুণমান নিয়ে অভিযোগ: ওলার স্কুটার নিয়ে গ্রাহকদের ভুরিভুরি অভিযোগ সামনে এসেছে। হার্ডওয়্যার ত্রুটি থেকে শুরু করে সফটওয়্যার সমস্যা—সব মিলিয়ে ব্রান্ডের ওপর গ্রাহকদের আস্থা তলানিতে ঠেকেছে। বিশেষ করে বিক্রয়ের পর পরিষেবা বা ‘আফটার সেলস সার্ভিস’ নিয়ে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

তীব্র প্রতিযোগিতা: বাজারে বাজাজ অটো (Bajaj Auto), টিভিএস মোটর (TVS) এবং হিরো মোটোকর্পের (Hero MotoCorp) মতো পুরনো ও বিশ্বস্ত কোম্পানিগুলো শক্তিশালীভাবে ফিরে আসায় ওলা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।

শোরুম কমানোর সিদ্ধান্ত: সম্প্রতি কোম্পানি তাদের রিটেল স্টোর বা শোরুমের সংখ্যা ৪,০০০ থেকে কমিয়ে মাত্র ৫৫০-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে। এই ‘সংকোচন নীতি’ বিনিয়োগকারীদের মনে কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে।

ব্রোকারেজ সংস্থাগুলোর সতর্কতা
শেয়ার বাজারের নামী ব্রোকারেজ সংস্থাগুলো ওলা ইলেকট্রিকের শেয়ার নিয়ে নেতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে।

Citi: শেয়ারটিকে ‘Sell’ বা বিক্রির রেটিং দিয়েছে এবং লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ২৭ টাকা করেছে।

Emkay Global: তাদের লক্ষ্যমাত্রা আরও নিচে, মাত্র ২০ টাকা নির্ধারণ করেছে।

Goldman Sachs: সম্প্রতি শেয়ারটিকে ‘Neutral’ রেটিং দিয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে।

( মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না।)

Previous post

জন্মদিনের দিনই হারিয়ে যাবে মেয়ে! শিলাদিত্যর ছবিতে স্বস্তিকার নতুন থ্রিলার সফর

Next post

Bankura Historic Place: ডাইনোসর যুগের আগে কারা ছিল পৃথিবীতে? তিরিশ কোটি বছরের প্রাচীন ফসিল সংরক্ষিত বাঁকুড়ায়, ইতিহাসের খনি ছোট্ট এই সাদা বাড়ি

Post Comment

You May Have Missed