ইস্তফার পর বিমান বসুর ফোন ! বর্ষীয়ান নেতার সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করলেন না প্রতীক উর রহমান ?

ইস্তফার পর বিমান বসুর ফোন ! বর্ষীয়ান নেতার সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করলেন না প্রতীক উর রহমান ?

Pratik Ur Rahman: সিপিএম- এর রাজ্য কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর প্রতীক উর রহমানকে ফোন করেছেন বর্ষীয়ান বাম নেতা বিমান বসু। তবে এখনও সাক্ষাৎ হয়নি বিমান বসু এবং প্রতীক উর রহমানের। বিমান বসুর ফোন পাওয়ার পরেও কেন গেলেন না প্রতীক উর? 

সুমন দে – বিমান বসু যখন তোমায় ফোন করে ডাকছেন, তুমি যাচ্ছ না কেন? যেহেতু তুমি বলছ তোমার আপত্তি এবং প্রতিবাদটা ব্যক্তির বিরুদ্ধে, তাহলে তুমি গিয়ে ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলোনি কেন? সেই সুযোগ তো তুমি পেয়েছিলে? 

প্রতীক উর – আমি চিঠিটা দিয়েছিলাম মহম্মদ সেলিমকে। আমি চেয়ারকে চিঠিটা দিয়েছিলাম। উনি যখন কর্পোরেট স্টাইলে পার্টিটা চালাচ্ছেন, তাহলে উনি বস, আমি কর্মচারী। তো একজন কর্মচারী হিসেবে আমি আমার বসকে চিঠিটা দিয়েছিলাম। যদি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য, কমিউনিস্ট পার্টির রাজ্য সম্পাদককে চিঠি দিত, উনি কেন, বিমানদা কেন, যে কেউ আমাকে ডাকলে, যদি আমি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যের মতো যদি ব্যবহার পেতাম, আমি অবশ্যই যেতাম। কিন্তু যেহেতু উনি লাইক এ বস, ফলে আমি চেয়ারকে অ্যাড্রেস করেছি। চেয়ার তো এখনও কথা বললেন না। কোথায় সমস্যা হল? বিমানদাকে কেন মার্কেটে নামাতে হল? একজন ৮০-৮৫ বছরের… গোটা পশ্চিমবঙ্গের বাম, ডান, অতিবাম, অতিডান সবার কাছে উনি শ্রদ্ধেয়। কয়েকদিন আগে আপনারও ইন্টারভিউ দেখেছি… আমাদের চোখে জল এসেছিল বিমানদার ওইসব ইন্টারভিউ দেখে… সেই বিমানদাকে মার্কেটে নামাতে হল? বিমানদার কথায় আমি বললাম, আপনি আমার কাছে শ্রদ্ধার। আপনার যেকোনও অনুরোধ আমার কাছে আদেশ বলে মনে হবে। আমার কিছু প্রশ্ন আছে। আমি ভাবছি, আমি যেতে পারি। উনি বললেন তুমি ভাবো, তুমি এসো, আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় বসে রইলাম। আমি বললাম ঠিক আছে বিমানদা আমি ভাবছি। 

সুমন দে – তাও গেলে না… 

প্রতীক উর – সেদিন গেলাম না। তার পরদিন বিকেলে যাব ভাবছি। হঠাৎ সকালে একজন সাংবাদিক, আমি সংবাদ সংস্থার নাম বলছি না, সেটা উচিতও নয়, তিনি আমাকে ফোন করলেন তোমার সঙ্গে বিমানদার কথা হয়েছে, তুমি আসছ না কেন? আমার প্রশ্ন হল আমি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দিলাম সেই খবর লিক হলো, বিমান বসুর সঙ্গে আমার ওয়ান টু ওয়ান কথা হল, একজন সাংবাদিক আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করছেন কেন যাচ্ছ না? তাহলে আমি বিমানদার কাছে গেলে ওই খবরও তো হাইলাইট হতো, কী কথা হয়েছে, কী কথা বলা হয়েছে… আচ্ছা ওখানে ধরো বিমানদা আমার হাতটা ধরে বলত যে, প্রতীক উর তুমি দলে থেকে যাও, ওটাও তো কেউ ভিডিও করে বাইরে ছাড়ত, আর আমার বিরুদ্ধে প্রচার করা হতো বিমানদার মতো একজন ব্যক্তিত্ব প্রতীক উরের হাতটা ধরে বলল, আর প্রতীক উর থাকল না… 

সুমন দে – তুমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছ যে তুমি থাকবে না ? 

প্রতীক উর – হ্যাঁ

সুমন দে  – বিমানদা বললেও থাকবে না ?

প্রতীক উর – আমার কিছু প্রশ্নের জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আমি থাকব না 

Previous post

২০২৪-এর ফাইনালও এত মানুষ দেখেননি, ভিউয়ারশিপে টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নজির গড়ল !

Next post

‘লবিবাজি’, ‘প্রশ্নহীন আনুগত্য’… দল নয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেই লড়াই-ক্ষোভ প্রতীক উর রহমানের

Post Comment

You May Have Missed