‘ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত…’, প্রার্থীদের জন্য নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের !
কলকাতা : এবার প্রার্থীদের জন্য নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না প্রার্থীরা। প্রার্থীদের জন্য নির্দেশিকা জারি, খবর কমিশন (West Bengal Assembly Election 2026) সূত্রে। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা গন্ডগোলে জড়ানো যাবে না। ভোট যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করতে হবে প্রার্থীকে, প্রাথীদের জন্য নির্দেশিকা, খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
পশ্চিমবঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। আর নিরাপদে সুষ্ঠু ভোট করাতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৎপর হয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত।
বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে কমিশনের ‘লক্ষ্মণরেখা’
সাদা চক কিংবা অন্য রং দিয়ে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে লক্ষ্মণরেখা টেনে দেবে নির্বাচন কমিশন। এই অংশে ভোটার ছাড়া প্রবেশের অনুমতি নেই কারও। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এবার আর পুলিশের উপর পুরোপুরি ভরসা করা হবে না। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ১০০ মিটারে লক্ষ্মণরেখা কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, সেই ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের ভূমিকা থাকবে শুধুমাত্র ভোটারদের লাইন নিয়ন্ত্রণ করার কাজে। নিজের মতো কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশ শুধুমাত্র গাইড করবে। এমনকী কোথাও গন্ডগোলের খবর পেলে, জওয়ানরা যাতে অলি-গলিতে পৌঁছে যেতে পারেন, তার জন্য তাঁদেরকে মোটরবাইক দেওয়া হবে। পুরো পরিস্থিতিতে নজর রাখবেন কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষকরা।
আগামীকাল প্রথম দফায় ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট
ভোটকেন্দ্র পিছু থাকবে অন্তত হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটকেন্দ্রে বেশি বুথ থাকলে ২ সেকশন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। এক সেকশন মানে ৮জন জওয়ানের কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট কেন্দ্রে পুলিশের ভূমিকা থাকবে শুধু লাইন নিয়ন্ত্রণে। ১০ থেকে ১২টি ভোটকেন্দ্র পিছু একটি কেন্দ্রীয় বাহিনীর QRT, থানা পিছু RT মোবাইল এবং HRFS ভ্যান। গলি গলিতে বাইকে পেট্রলিং করবে পুলিশ। প্রথম দফার ভোটে থাকছে প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় দফার ভোটেও থাকবে একই ধরনের সুরক্ষার আয়োজন। শুধু কলকাতাতেই থাকবে প্রায় ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। BSF, CRPF, CISF, ITBP ছাড়াও রাজ্যে ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ডের SAP. দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বার্তা দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে এবারের ভোট যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতে সবরকম চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, প্রলোভনমুক্ত, ছাপ্পামুক্ত, বুথ দখলমুক্ত।



Post Comment