নির্বাচনের আগে ফের ইডির নজরে নুসরত জাহান! কেন তলব নায়িকাকে?
- ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে নুসরত জাহানকে ফের তলব ইডির।
- নুসরত জাহানকে কলকাতার ইডি দপ্তরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ফ্ল্যাট না পেয়ে প্রতারিত প্রবীণ নাগরিকরা এর আগে অভিযোগ দায়ের করেন।
- ২০২৩ সালে এই মামলায় নুসরতকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।
কলকাতা: এবার নির্বাচনে লড়াই করছেন না তিনি, তবে তারপরেও নির্বাচনের আগে ফের চর্চায় অভিনেত্রী নুসরত জাহান (Nushrat Jahan)। ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে, ফের নুসরতকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে যে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল নুসরতের বিরুদ্ধে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালাচ্ছিল ইডি। যে কোম্পানি রাজারহাটে ফ্ল্যাট তৈরি করেছিল, সেখানকার অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন নুসরত জাহান। ইডি সূত্রে খবর, গত কয়েকমাস ধরে তদন্ত করে, এই বিষয়ে বেশ কিছু নতুন তথ্য হাতে এসেছে ইডির। সেই সূত্রেই নুসরত জাহানকে ফের তলব করা হয়েছে।
কলকাতায় নয়, দিল্লিতেই হোক জিজ্ঞাসাবাদ! আর্জি নুসরতের
নুসরত জাহানকে ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে ইডি দফতর সূত্রে খবর, নুসরত কলকাতার দফতরে যেতে অনিচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময়ে তিনি দিল্লিতে থাকবেন। তাই নির্দিষ্ট দিনে যদি তাঁকে দিল্লির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ভাল হয়। তবে নুসরতের এই আর্জি মানা হয়নি ইডির তরফে। জানানো হয়েছে, এই মামলা কলকাতার। তদন্তকারী অফিসার ও থাকবেন কলকাতাতেই। ফলে নুসরতকে কলকাতাতেই হাজিরা দিতে হবে। ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরেই হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নুসরতকে।
২০২৩ সালেও নুসরতকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির
এর আগে, ২০২৩ সালে নুসরত জাহানকে ফ্ল্যাট-দুর্নীতি মামলায় তলব করে ইডি। তৎকালীন বসিরহাটের সাংসদকে এই মামলায় ৬ ঘণ্টা জেরা করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ২০১৪-১৫ সালে ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে ৪০০-র ও বেশি প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে সাড়ে ৫ লক্ষ করে টাকা নিয়েছিল একটি সংস্থা। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বিনিময়ে প্রত্য়েক প্রবীণ নাগরিক হাজার স্কোয়্যারফুটের একটি করে ফ্ল্যাট পাবেন। তবে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও, ফ্ল্যাট পাননি ওই প্রবীণ মানুষেরা। বলা বাহুল্য, টাকাও ফেরত পাননি। এই ঘটনার উল্লেখ করে, ED-র কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। সেই মামলাতেই ২০২৩ সালে নুসরত জাহানকে তলব করে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তবে নুসরত ওই কোম্পানির ডিরেক্টর পদে থাকার কথা অস্বীকার করেছিলেন।



Post Comment