Water Bell: বাঁকুড়ায় জলের ঘণ্টা! কতটা কাজের বলে বোঝান মুশকিল! আসল বিষয় জানলে আপনিও বাহবা জানাবেন
Last Updated:
বাঁকুড়ায় জলের ঘণ্টা, বিষয়টা কি জানতে চান?
বাঁকুড়া: প্রচন্ড গরম পড়তে চলেছে বাঁকুড়ায়! এই প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্করাই জল পান করতে ভুলে যান, ছোটদের কথা তো বাদ দেওয়াই যায়। প্রতিটি স্কুলে, দেখতে পাওয়া যায় মাটির কলসিতে লাল কাপড় মুড়ে রাখা আছে। যাতে মাটির কলসিতে জল ঠান্ডা থাকে। তপ্ত গরমে বাচ্চারা এসে জল পান করে। কিন্তু অনেকেই ভুলে যায় সেই কথা। সেই কারণে এবার ‘ওয়াটার বেল’! অর্থাৎ এমন একটি ঘন্টা যেটা বাজলে বাচ্চাদের মনে পড়বে জল পান করার কথা।
বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন! কেন্দুয়াডিহি নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ঘন্টা বাজিয়ে জল পান করার এক মহড়া। দিনে তিনবার ঘন্টা পড়বে। ঘন্টা পড়লেই বাচ্চারা ছুটে চলে আসবে কলসিগুলোর কাছে। কারো হাতে থাকবে গ্লাস, আবার কারো হাতে থাকবে বোতল। নিজের ইচ্ছামত জল পান করে নেবে। এছাড়াও সারাদিন জল পান করতে পারবেন শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে অভিভাবক অভিভাবিকা পর্যন্ত।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দন দত্ত বলেন, “বিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ছোট ছোট শিশুদের শিক্ষাদান করা সেটাই নয়। তাদেরকে এই প্রচন্ড গরমে মনে করিয়ে দিতে হবে যে জল খাওয়ার সময় হয়েছে। একে একে সব ছাত্র-ছাত্রীকে বলা সম্ভব নয় সেই কারণে, এমন একটি ঘণ্টার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিভাবকেরা খুব খুশি হয়েছেন এই ওয়াটার বেলের ব্যবস্থাপনায়।”
বাঁকুড়া শহরের এই নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের আগে বহু উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। এবার শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ওয়াটার বেলের আয়োজন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এই বিদ্যালয়।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
Tarakeswar Bishnupur Railway Project: সুখবর, ফের শুরু তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেলপথ নির্মাণের কাজ! যদিও থেকে গেল সেই কিন্তু!



Post Comment