Vegetable cultivation: বৃষ্টি শুরু হতেই আনাজ চাষে স্বস্তি! খুশি কৃষকেরা

Vegetable cultivation: বৃষ্টি শুরু হতেই আনাজ চাষে স্বস্তি! খুশি কৃষকেরা

Last Updated:

Vegetable Cultivation: বৃষ্টির দেখা পেতেই প্রাণ ফিরে পেল আনাজ চাষ। জমিতে সজীবতা ফিরে এসেছে, গাছের বৃদ্ধি বেড়েছে। চাষিরা বলছেন—এই বৃষ্টি না এলে পুরো ফসলই নষ্ট হত। এখন নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন তাঁরা।

+

বৃষ্টিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস বিভিন্ন আনাজ চাষে 

মুর্শিদাবাদ: জেলায় কখনও অল্প তো কখনও মাঝারি আবার কখনও ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ যেমন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে তেমনই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সবজি চাষিরা। জেলাজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিতে ঘাটতি মিটছে খরা সদৃশ্য পরিস্থিতিতে৷ বৃষ্টির ঘাটতিতে সমস্যায় পড়েছিল মরসুমি পটল, আলু, বেগুন, শশার মতো সব্জি চাষিরা। তবে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় আনাজ চাষে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিশেষ করে সবজি চাষিরা এই বৃষ্টিতে স্বস্তি পাচ্ছেন, কারণ দীর্ঘদিন ধরে চলা খরা এবং গরমের কারণে তাঁদের ফসল শুকিয়ে যাচ্ছিল। বৃষ্টির জল পেয়ে সবজি গাছগুলি নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।

চাষীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাড়ন্ত সময়ে পাটচাষেও প্রচুর জলসেঁচের খরচ বাড়ছিল। পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে সঙ্কট কেটেছে তাদের। জেলার বহরমপুর, হরিহরপাড়া, বেলডাঙা, ডোমকলের মতো বিভিন্ন এলাকায় বিকল্প চাষ হিসেব সব্জি চাষ করে থাকেন কৃষকেরা। যারা সকলেই দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন।

এদিকে মরসুমি বৃষ্টি শুরু হতেই মুর্শিদাবাদের আনাজ চাষিদের সুবিধা হয়েছে। একদিকে কমেছে সেচের খরচ। অন্যদিকে বাজারে তুলনামূলক জোগান কম থাকায় দাম ফের চড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন আনাজের।

চাষিরা জানান, এর আগে টানা তাপপ্রবাহ চলতে থাকায় গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল, ফসল মাঠেই শুকিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনের বৃষ্টি পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে দিয়েছে। গোড়ায় জল পেয়ে সবজি গাছ শুকিয়ে যাওয়া বন্ধ হয়েছে। ফসলও তরতাজা হয়ে উঠেছে। কৃষি দফতরের আধিকারিকরা জানান, এই স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া আনাজ চাষের পক্ষে অনুকূল।

কৌশিক অধিকারী 

Post Comment

You May Have Missed