Chiranjeet Chakraborty:”কামদুনি, চাকরি বাতিল, RG কর….মমতা ব্যবস্থা নিতে পারছিলেন না”, এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে চিরঞ্জত
কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে তৃণমূলের ভরাডুবি!১৫ বছর পর পালাবদল রাজ্যে। ঠিক এমনই এক আবহে তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েটদের চাপা ক্ষোভ সামনে উঠে আসছে। এবার এবিপি আনন্দ-কে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিলেন চিরঞ্জত চক্রবর্তী।
আরও পড়ুন, কোথায় জাহাঙ্গির ? বন্ধ পার্টি অফিস, বাড়িতেও নেই ফলতার তৃণমূল প্রার্থী !
এদিন চিরঞ্জিত বলেন, কমিশন কাজটা খারাপ করেনি, ভালই লাগছে আমার, ধন্যবাদ দেব। কোথাও একটা ঝাড়াই বাছাই হয়েছে। বহু ঘটনা ঘটেছে এখানে। ছেলের চাকরি নেই। ২৬ হাজারের চাকরি নেই। ফুটপাতে বসে আছে তাঁরা। জলে -ঝড়ে-বৃষ্টিতে। কিংবা কামদুনি থেকেও শুরু করা যায়। একটা একটা করে ঘটনা এরকম ঘটনা ঘটেছে পরপর। আরজি কর হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার থেকেই আমি আস্তে আস্তে ফিল করছিলাম যে…আমি ছাড়লাম কেন, আমি সরে গেলাম কেন ? কারণ এটা আমার কাজ নয়। বুঝতে পারছিলাম, এটা আমি ট্যাকেল করতে পারছি না। সেই জায়গাটা থেকে মনে হল, আমি আস্তে আস্তে ডিটাচ হচ্ছি।
প্রশ্ন : কেন কেন, কেন মনে হল এটা ?
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : মনে হচ্ছে এগুলিকে আমি ঠিক সাপোর্ট করতে পারছি না। আমার মনে হচ্ছে , এইগুলির সবকিছুর সলিউশন হওয়া উচিত।
প্রশ্ন :কোন বিষয়গুলি ?
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : সব বিষয়গুলিই। যে ঘটনাগুলি ঘটছিল পরপর। সব মানুষ জানেন। তাঁরা রাত জেগে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হন।
প্রশ্ন : আরজিকরের ঘটনা ?
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : হ্যাঁ। তাঁদের যে যে জায়গাগুলিতে তাঁরা বলছিলেন কথাগুলি, ন্যায্য কথা বলছিলেন, কোনওটা সলিউশন হচ্ছিল না। সলিউশনটা হওয়া দরকার। এবং ইচ্ছে করলে, আমার ধারণা, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোনও কারণে বাধা পড়ে যাচ্ছিলেন, যার জন্য কিছু ব্যবস্থা নিতে পারছিলেন না। কিন্তু নিলে ভাল হত। অ্যান্টি ইনকামবেন্সিটা এইভাবেই ঘটে। ওই একটা একটা করে ফেলিওর ও ভুলভাল করার ভিতর দিয়েই হয়। কারণ আশপাশের লোকগুলি বলছিল, এ আর সহ্য করতে পারছি না।একটা অদ্ভুত ফিলিংস এসে গিয়েছিল..
প্রশ্ন : রাজ্য সরকারের প্রতি ?
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : হ্যাঁ। সবাই বলছিল প্রায় আশেপাশে। কিছু অন্য়ায়, কিছু অবিচার হয়েছে। অবিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনিয়তা আছে বলে লোকের মনে হয়েছিল, তার প্রতিকার হয়নি। তো সেই কবে থেকে আমি বলছি কামদুনি, পার্কস্ট্রিট, এইভাবে পরপর কিছু কিছু হয়ে গিয়েছে।



Post Comment