নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনায় জিরো টলারেন্সের বার্তা! রাজ‍্য প্রশাসনকে বার্তা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনায় জিরো টলারেন্সের বার্তা! রাজ‍্য প্রশাসনকে বার্তা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

Last Updated:

ভোটের ফলপ্রকাশের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি। পেটকুলচাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বুধবার রাতে বাইকে ফেরার সময় পথ আটকে লাঠি এবং রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। রাত থেকে অশান্ত চলছিল নানা জায়গায়। রুবি এলাকায় তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে।

শমীক ভট্টাচার্য
শমীক ভট্টাচার্য

কলকাতা:  নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনায় জিরো টলারেন্সের বার্তা রাজ‍্য প্রশাসনকে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে মুখ্য সচিব, ডিজি এবং সিএপিএফকে দেওয়া হল বার্তা।

ভোটের ফলপ্রকাশের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাংলার বিভিন্ন জায়গা। কোথাও বিজেপির উপর হামলা, কোথাও তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল, কোথাও তৃণমূলের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন শমীক-সুকান্তরা।

বাংলা বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “…কিছু কিছু জায়গায় দেখা গেছে, লোকজন বিজেপির পতাকা নিয়ে ভাঙচুরে জড়িয়েছে। আমরা এর নিন্দা করছি। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, কেউ যদি এমন কাজ করে, তাহলে আমরা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হব… পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সারা দেশে উদযাপন হয়েছে… এখন আমাদের সামনে বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমরা সেগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা আমাদের কর্মীদের বলতে চাই, শান্ত থাকুন এবং কারও অনুভূতিতে আঘাত করবেন না…”

পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বিজেপির জয়ের পর হিংসার অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “…বিজেপিকে বিজেপি হিসেবেই থাকতে হবে; এটি যেন তৃণমূল কংগ্রেসে পরিণত না হয়। মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছে; তাই তৃণমূলের মতো আচরণ করবেন না। আমরা জানি আপনাদের (স্থানীয় মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের) উপর লাগাতার অত্যাচার হয়েছে… কিন্তু আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। পুলিশ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে… রাবণ সবসময় রাবণই থাকবে। আমরা ভগবান রামের অনুসারী। আমাদের রাবণ হয়ে যাওয়া উচিত নয়।”

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনায় জিরো টলারেন্সের বার্তা! রাজ‍্য প্রশাসনকে বার্তা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

Post Comment

You May Have Missed