Murshidabad News: তিন বছর ধরে অ্যাকাউন্টে ঢুকছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, মুখ্যমন্ত্রী নাম নেওয়ার পরই আটক বহরমপুরের রাকিবুল!

Murshidabad News: তিন বছর ধরে অ্যাকাউন্টে ঢুকছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, মুখ্যমন্ত্রী নাম নেওয়ার পরই আটক বহরমপুরের রাকিবুল!

Last Updated:

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো এবং অযোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে৷

+

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ধৃত রাকিবুল শেখ৷

কৌশিক অধিকারী, বহরমপুর: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে। বহরমপুরের বাসিন্দা রাকিবুল শেখ। বহরমপুর রাধারঘাটের শিয়ালমারার বাসিন্দা তিনি। এ দিন তাঁর নাম নিয়েই সরাসরি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর তার পরই বহরমপুর থানার পুলিশ ওই রাকিবুল শেখ নামে ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে৷

বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ তখনই তিনি অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে৷ ভুয়ো, অযোগ্য নামের বহু মানুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সেই সূত্রেই উদাহরণ হিসেবে রাকিবুল শেখের নাম নেন শুভেন্দু অধিকারী৷

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাকিবুল শেখ, বাবার নাম মনসুর শেখ, বহরমপুরের শিয়ালমারা রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা৷ যে কর্মসূচি মহিলাদের জন্য সেখানেও ভেজাল এবং বেনোজল ভেরিফিকেশন না থাকার জন্য ঢুকে আছে৷

তিনি যে সত্যিই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন, তা স্বীকার করে নিয়েছেন পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী রাকিবুল শেখ৷  ২০২৩ সাল থেকে এই টাকা পাচ্ছিলেন তিনি৷ টাকা ঢোকার পর তিনি সেই টাকা বন্ধ করার জন্য কোথাও আবেদন করেননি বলেও স্বীকার করে নিয়েছেন শিয়ালমারা এলাকার এই বাসিন্দা। তিনি বলেন,” যে সময় থেকে আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছিল তখন আমার টাকার দরকার ছিল। তাই কাউকেই আলাদা করে কিছু জানাইনি। তবে লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার জন্য আমি কোথাও কোনও আবেদন করিনি।” রাকিবুলের স্ত্রীও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন৷

ওই হোটেল ব্যবসায়ী আরও দাবি করেন, কোনও রাজনৈতিক কারণও তাঁর অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকেনি। তিনি বলেন,” আমি একজন ছোট ব্যবসায়ী। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করার পর কয়েকজনকে সেটা জানিয়েছিলাম। তবে তাঁরা সকলেই আমাকে বলেছিল টাকা ঢুকছে, নিয়ে নে ,আলাদা করে কিছু করতে হবে না।”

তবে রাকিবুল আজ স্বীকার করেছেন এইভাবে টাকা নেওয়া তাঁর অন্যায় হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে আসতেই বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিবুলকে আটক করেছে৷

Post Comment

You May Have Missed