WB Assembly Elections: শূন্য থেকে ১…তবে বেশিরভাগ আসনেই জামানত বাজেয়াপ্ত বামেদের, কী অবস্থায় মীনাক্ষী, দীপ্সিতা, কলতান-রা?

WB Assembly Elections: শূন্য থেকে ১…তবে বেশিরভাগ আসনেই জামানত বাজেয়াপ্ত বামেদের, কী অবস্থায় মীনাক্ষী, দীপ্সিতা, কলতান-রা?

Last Updated:

WB Assembly Elections:বামেরা এবার খাতা খুলেছে! কিন্তু যিনি খাতা খুললেন, সেই মোস্তাফিজুর রানা মীনাক্ষী, দীপ্সিতা, কলতান-দের তুলনায় কম জনপ্রিয়! বাকি বাম তরুণ তুর্কিদের কী অবস্থা?

সিপিআইএম
সিপিআইএম

কলকাতা: গত তিনটি নির্বাচনে রাজ্যের তরুণ তুর্কিদের উপর ভরসা করে ভোটের ময়দানে নেমেছে সিপিআইএম! প্রার্থী তালিকায় টগবগে তরুণ রক্ত! তারুণ্যের মেজাজে জমেছে ভোট ক্যাম্পেন! কখনও ‘ঝড় তুলে ওই আসছে কলতান’, কখনও বা ‘আন্দোলনের হাত ধরে, বিশ্বাস পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে’…ইউটিউব মাতিয়েছে বামেদের এক-সে-সবরকর এক নির্বাচনী প্রচারের গান-ভিডিও! ডিজিটাল প্রচারে কোনও খামতি রাকেননি দীপ্সিতা, আরফিন-রা! কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না! এবারও প্রার্থী তালিকায় প্রথম সারিতে থাকা বাম- তরুণদের কেউ বিধানসভায় যাচ্ছেন না! এমনকী, অনেকেই জামানতও বাঁচাতে পারেননি।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, মোট যত ভোট পড়েছে, তার এক-ষষ্ঠাংশ অর্থাৎ ছ’ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত থাকে। অর্থাৎ মোট ভোটের ১৬.৬৬ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রার্থী হতে গেলে নির্বাচন কমিশনে একটি নির্দিষ্ট টাকা জমা রাখতে হয়। বিধানসভা ভোটে সেই টাকার অঙ্ক ১০ হাজার। জামানত বাজেয়াপ্ত হলে সেই টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না।

রাজ্যে বামেদের আসন এবার শূন্য পেরিয়ে ১-এ! এই একটা আসন পেয়েছেন তুলনামূলক কম জনপ্রিয় মোস্তাফিজুর রানা। তিনি কোনওমতেই কলতান, মীনাক্ষী বা দিপ্সীতাদের মতো জনপ্রিয় ছিলেন না। মোস্তাফিজুর ডোমকল থেকে ১ লক্ষ ৭ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটের ৪১ শতাংশ। অন্য সিপিআইএম প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন জলঙ্গির ইয়ানুস আলি সরকার। তিনি প্রায় ২৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। খড়গ্রামের বামপ্রার্থী ধ্রুবজ্যোতি সাহা প্রায় ৪১ হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। জামানত বাঁচিয়েছেন রানিনগরের সিপিআইএম প্রার্থী জামাল হোসেন। করণদিঘির সিপিআইএম প্রার্থী হাজি শাহাবুদ্দিনের পেয়েছেন ৪০ হাজারের কম ভোট। তবে সামান্য ব্যবধানে জামানত বাঁচিয়েছেন শাহাবুদ্দিন। হেরেছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে।

বামেদের অন্য হেভিওয়েটদের মধ্যে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ৪০ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটে ১৭.৮১ শতাংশ। অর্থাৎ অল্পের জন্য জামানত বাঁচিয়েছেন তিনি। উত্তরপাড়ায় দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, প্রায় ৫০ হাজার ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট প্রায় ২৫ শতাংশ। জামানত বাঁচিয়েছেন দীপ্সিতা ধরও। দমদম উত্তর কেন্দ্রে তিনি ১৭.২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২৮ হাজারের বেশি।

কিন্তু পানিহাটিতে জামানত রক্ষা করতে পারলেন না কলতান। তিনি মোটে ২৩ হাজার ভোট পেয়েছেন। শতাংশের বিচারে ১৩.৭৩। বরানগরে সায়নদীপ মিত্ররও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তিনি মোটে ১১ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। রাজারহাট নিউটাউনের বাম প্রার্থী সপ্তর্ষি দেবও জামানত বাঁচাতে পারেননি। তিনি ৩২ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটের ১২.৭৭ শতাংশ।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

WB Assembly Elections: শূন্য থেকে ১…তবে বেশিরভাগ আসনেই জামানত বাজেয়াপ্ত বামেদের, কী অবস্থায় মীনাক্ষী, দীপ্সিতা, কলতান-রা?

Post Comment

You May Have Missed