বৈভব, মাহত্রে কেউ নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ হিসেবে এই তরুণকে বেছে নিলেন অশ্বিন
মুম্বই: বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুশ মাহত্রে কি দেশের জার্সিতে আগামীর ভবিষ্যৎ? এমনটা অবশ্য মনে করেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ২০২৬ সালে আইপিএলের প্রত্যেকটি ম্যাচই দেখছেন ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের তারকা অফস্পিনার। পঞ্জাব কিংসের তারকা ওপেনার প্রিয়াংশ আর্যর খেলায় মজেছেন তারকা অফস্পিনার। অশ্বিন বৈভব ও আয়ুশ দুজনেই আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছে। কিন্তু অশ্বিন মনে করেন এরা ভাল খেলােয়াড় হলেও ভারতীয় ক্রিকেটে আগামীতে রাজ করবেন প্রিয়াংশ।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেছেন, ”আমি কাউকে কারও ওপরে বা নীচে রাখার চেষ্টা করছি না, কিন্তু আমার মতে, প্রিয়াংশ আর্য আয়ুশ মাহত্রে ও বৈভব সূর্যবংশীর চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। আমি তাদের তুলনা করছি না কারণ সে বড় স্কোর করে ও তার শটের পরিসরও অনেক বিস্তৃত। এই মরশুমে অন্যতম সেরা পারফর্মারদের একজন হলেন প্রিয়াংশ আর্য। গত মরশুমে পঞ্জাবের জার্সিতে প্রথম বছরেই ৪৭৫ রান করেছিল প্রিয়াংশ।”
চলতি আইপিএলে পাঁচ ম্যাচে এখনও পর্যন্ত খেলতে নেমে ৪২.২০ গড়ে ২১১ রান করেছেন। স্ট্রাইক রেট আরও ঈর্ষণীয়। লখনউ সুপারজায়ান্টসের বিরুদ্ধে ওপেনে নেমে ৩৭ বলে ৯৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।
এবারের আইপিএলে ৫ ম্য়াচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চলতি আইপিএলের একমাত্র অপরাজিত দল এখন পঞ্জাবই। পন্টিং বলছেন, ”আমার কাছে কোচ হিসেবে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ একটা সঠিক পরিবেশ তৈরি করা। যেখানে প্রত্যেক প্লেয়ার নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নিজেদের লক্ষ্য় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়। একজন কোচ হিসেবে আমি প্লেয়ারদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাই সবসময়। প্লেয়ারদের খোলা মনে খেলতে দেওয়া উচিৎ। কখনওই প্লেয়ারদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না আমি। সাফল্য় ও ব্যর্থতা এই দুটোই খেলার অংশ। এই বিষয়ে প্লেয়ারদের নিজেদেরই বুঝতে হবে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যে কোনও দিনে যে কোনও একজন ক্রিকেটারের পারফরম্য়ান্সই যথেষ্ট।”
অশ্বিন এর আগে পঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়সের প্রশংসাও করেছিলেন। ব্যাট হাতে ও অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আইয়ারের পারফরম্য়ান্স দেখে তাঁকে দ্রুত ভারতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে অধিনায়ক করার আওয়াজ তুলছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার বলছেন, ‘এত কিছুর পরও যদি ভারতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে শ্রেয়সকে বেছে না নেওয়া হয়, তাহলে আমি বলব এটা শ্রেয়সের ক্ষতি না। এটা ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষতি, বিসিসিআইয়ের ক্ষতি।”



Post Comment