বিজেপির সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরই, মোদির ঝালমুড়ি খাওয়াকে সামনে রেখেই পালিত হল ‘ঝালমুড়ি উৎসব’
কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: সোমবার রাজ্যের দায়িত্বভার গ্রহণ করল বিজেপির নতুন রাজ্য সরকার। নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর এই দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে উদযাপন। আর সেই আবহেই পূর্ব বর্ধমানের বিধানপল্লী এলাকায় আয়োজিত হল ‘ঝালমুড়ি উৎসব’। আর এই ‘ঝালমুড়ি উৎসব’ -কে কেন্দ্র করে সাধারণের মধ্যে দেখা গেল উদ্দীপনা ও উৎসাহ।
আরও পড়ুন: শুভেন্দু অধিকারীর PA চন্দ্রনাথ খুনে কোটি টাকার সুপারি! কীভাবে তদন্ত করবে CBI?
আয়োজকরা বলছেন, ঝালমুড়ি উৎসবের মাধ্যমে জন সংযোগ ও আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য দেবাশিস সরকারের উদ্যোগেই মূলত এই আয়োজন। বিজেপির কর্মী সমর্থকরা এদিন স্থানীয় মানুষের হাতে ঝলমুড়ি তুলে দেন। এর পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানে বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতিতে ঝালমুড়ির গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য দেবাশীষ সরকার বলেন, “বাঙালি মানেই মুড়ি। পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন। বাঙালির সঙ্গে মুড়ি সম্পৃক্ত। আর ঝালমুড়ি বাঙালির কাছে এক আবেগ, আভিজাত্য। আমরা এই বাঙালিয়ানাকেই তুলে ধরেছি।”
আরও পড়ুন: ‘কেউ যদি অমান্য করার চেষ্টা করে…’, কাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি মনোজ আগরওয়ালের?
আয়োজকদের দাবি, বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি, রুচি ও খাদ্যাভ্যাসকে সম্মান করে। তাঁদের মতে, ঝালমুড়ি শুধুমাত্র একটি খাবার নয়, এটি বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের অংশ।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে ঝাড়গ্রামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। সেই ব্যাপারটাকে সামনে রেখে এদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সাধারণ মানুষের খাবারের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করেছেন, সেই বার্তাই তাঁরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চান।
এদিন অনুষ্ঠানে একজন পেশাদার ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুনীল দাস ঝালমুড়ি তৈরি করেন। তিনি জানান, “আমতেল থেকে শুরু করে ঝালমুড়ির সব পরিচিত উপকরণই রয়েছে। পিঁয়াজও দেওয়া হয়েছে।” স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও দেখা যায় উচ্ছ্বাস। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “মোদীজি খেয়েছেন, আমরাও খাচ্ছি। খুব আনন্দ পাচ্ছি।”
অন্যদিকে, ২ বছর পর অবশেষে পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকলেন প্রধান, উপপ্রধান সহ বিজেপির অন্যান্য সদস্যরা। ঘটনা নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত অন্দরানফুলবাড়ী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের। সোমবার ১১ মে বিজেপির কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে পঞ্চায়েত অফিসে পৌঁছে যান অন্দরানফুলবাড়ী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ননীবালা বর্মন। পরবর্তীতে পঞ্চায়েতের বাকি সদস্যদের নিয়ে পঞ্চায়েতের ভিতর প্রবেশ করেন তিনি।



Post Comment