পার্সোনাল লোনের আবেদন করার সময় যে ভুলগুলো করবেন না একেবারেই!
কলকাতা: আজকের দিনে পার্সোনাল লোনের আবেদন করা খুবই সহজ হয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্ক, নন ব্যাঙ্কিং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি বা NBFC ছাড়াও একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ঘরে বসে আবেদন করা যায়। এমনকি এর মাধ্যমে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টাকা হাতেও পাওয়া যায়। কিন্তু কোনও পার্সোনাল লোন নিতে গেলে কোন জায়গায় ভুল হচ্ছে, সেটাও জানা উচিত।
প্রথম ভুল হল ক্রেডিট রিপোর্ট যাচাই না করে লোনের আবেদন করা। এতে অনেক সময় ভুল তথ্য, পুরোনো ডিফল্ট আপডেট না হওয়ার কারণে ক্রেডিট স্কোর কমে যায়। আর এই ভুলগুলো ঠিক না করলে লোন পাওয়া খুবই সমস্যার।
অনেকেই অনেক সময় তাঁদের আয়ের উৎস দেখান না। ভাড়া থেকে উপার্জন, ফ্রিল্যান্স বা কোনও সাইড ইনকাম অনেকেই অনেক সময় প্রকাশ করেন না। এতে মোট আয় কম দেখায় অনেক সময়। এই কারণেই ঋণদাতা তাঁর মোট উপার্জন বুঝতে পারেন না। ফলে, তারা ঋণ গ্রহীতার পরিশোধের ক্ষমতা কম বলে মনে করে। ফলে ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
অনেকে আবার নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়েও লোনের আবেদন করেন। এটা বিরাট একটা ভুল। এর ফলে ফিক্সড অবলিগেশন টু ইনকাম রেশিও বেড়ে যায়। এর ফলে, লোন বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
এ ছাড়াও চাকরির স্থায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। ঘন ঘন চাকরি বদলের কারণে উপার্জন অনিশ্চিত হয়ে থাকলে ঋণদাতারা ঝুঁকি মনে করেন। আর সেই কারণেই অনেক সময় ঋণ মেলে না বা অনেক বেশি সুদের হারে পরসোনল লোন মেলে। এ ছাড়াও কোনও অসম্পূর্ণ বা ভুল ডকুমেন্ট জমা করা হলেও অনেক সময় সরাসরি লোন রিজেক্ট হয়ে যায়।
আরও একটা ভুল হল, একবার লোনের আবেদন রিজেক্ট হয়ে গেলে, সেই লোনের জন্য পুনরায় আবেদন করা। এতে ঋণদাতা মনে করে ওই ব্যক্তির ‘ক্রেডিট হাঙ্গার’ বা অতিরিক্ত ঋণের চাহিদা রয়েছে। আর এই বিষয় কোনও ব্যক্তির ক্রেডিট স্কোর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই ভাবে একাধিক ব্যাঙ্ক বা একাধিক নন ব্যাঙ্কিং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানিতে আবেদন করলেও এই একই ঝুঁকি দেখা যায়।
লোনের জন্য তাড়াহুড়ো করা, ভুল তথ্য দেওয়া বা আর্থিক অসতর্কতাই হল সমস্যা। এইগুলো যদি কেউ এড়িয়ে চলেন, তাহলে লোন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটা।



Post Comment