এখনও গ্রেফতার হয়নি ২৯৪ জন ! ভোটের আগে দাগি দুষ্কৃতীদের ধরতে আরও কড়া কমিশন, কী বার্তা ?

এখনও গ্রেফতার হয়নি ২৯৪ জন ! ভোটের আগে দাগি দুষ্কৃতীদের ধরতে আরও কড়া কমিশন, কী বার্তা ?

কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন শুরু হতে হাতে বাকি আর মাত্র কিছু সময়। এবার নিরাপদে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। একের পর এক নিয়ম প্রকাশ করছে তারা। এবার ভোট শুরুর একদম আগের দিন নতুন নির্দেশ দেওয়া হল নির্বাচন কমিশনের তরফে। এবার এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। আগামীকাল ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন। রাজ্যের ১৬ জেলায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে কাল। দ্বিতীয় দফায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সেদিন ৭ জেলার ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। আগামী ৪ মে হবে ভোটের গণনা। 

ভোটের আগে দাগি দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। প্রথম দফার ভোট আগামীকাল ২৩ এপ্রিল। তার আগে এখনও ২৯৪ জন দাগি দুষ্কৃতী গ্রেফতার হয়নি, এমনটাই খবর কমিশন সূত্রে। অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। ভোটে ভীতি প্রদর্শন রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ অবজার্ভারের তরফেও। অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। সংশ্লিষ্ট জেলা ও থানার আধিকারিকদের মাধ্যমে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, রাজ্যের DGP-কে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ অবজার্ভারের তরফে, খবর কমিশন সূত্রে। 

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জন্য ভোট শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নির্দেশ 

ভোটের দিন সকাল ৬-সন্ধে ৬ পর্যন্ত এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না প্রার্থীরা, প্রার্থীদের জন্য নির্দেশিকা জারি, খবর কমিশন সূত্রে। ‘ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা গন্ডগোলে জড়ানো যাবে না। ভোট যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করতে হবে প্রার্থীকে। প্রাথীদের জন্য নির্দেশিকা জারি, খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। 

ইতিমধ্যেই ভোট সংক্রান্ত একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বেশিরভাগ জায়গা কার্যত মুড়ে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার বেষ্টনীতে। এবার ভোটের ময়দানে রাজ্যে থাকছে আড়াই লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তার যাবতীয় দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতেই। পুলিশ শুধুমাত্র ভোটারদের লাইন নিয়ন্ত্রণ করবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে তৈরি হবে নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্মণরেখা। সেখানে প্রবেশের অধিকার শুধুমাত্র ভোটারদের। 

Post Comment

You May Have Missed