New Born Treatment: গর্ভে থমকে ছিল বৃদ্ধি, জন্মের পরই শুরু জটিলতা! ৬৫০ গ্রাম ওজনের শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাল দুর্গাপুরের হাসপাতাল

New Born Treatment: গর্ভে থমকে ছিল বৃদ্ধি, জন্মের পরই শুরু জটিলতা! ৬৫০ গ্রাম ওজনের শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাল দুর্গাপুরের হাসপাতাল

Last Updated:

New Born Treatment: সময়ের অনেক আগে জন্ম। চরম অপরিণত অবস্থায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটিকে ভূমিষ্ঠ করতে বাধ্য হয়েছিলেন চিকিৎসকরা। জন্মের সময় ওজন ছিল মাত্র ৬৫০ গ্রাম। একইসঙ্গে শরীরে ছিল আরও নানান জটিলতা। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে সেই শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাল দুর্গাপুরের নামকরা বেসরকারি হাসপাতাল।

সময়ের অনেক আগে জন্ম নেওয়া শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাল দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতাল
সময়ের অনেক আগে জন্ম নেওয়া শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাল দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতাল

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই শিশুটির মায়ের একাধিক শারীরিক সমস্যা ছিল। বিভিন্ন পরীক্ষায় ধরা পড়ে, গর্ভে শিশুর বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে হচ্ছে না। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে হাসপাতালের কনসালট্যান্ট অবস্টেট্রিশিয়ান ডা. অনির্বাণ দাশগুপ্ত নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখেন মা ও গর্ভস্থ শিশুকে। শেষ পর্যন্ত রক্তপ্রবাহ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতেই জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম করানো হয়।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আজ গর্বের দিন বাঁকুড়ার, মেচা সন্দেশ পেল ‘জিআই’ তকমা! আসল স্বাদ পেতে রইল সেরা দোকানের ঠিকানা

জন্মের পরই ওই অতি ক্ষুদ্র নবজাতককে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসার মূল দায়িত্বে ছিলেন কনসালট্যান্ট পেডিয়াট্রিশিয়ান ডা. অরিত্র সেনগুপ্ত। ফুসফুস অপরিণত থাকায় জন্মের সঙ্গেসঙ্গে তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা এবং সারফ্যাক্ট্যান্ট থেরাপি দিতে হয়। কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ধীরে ধীরে সেই ভেন্টিলেশন সাপোর্ট থেকে তাকে বের করে আনা সম্ভব হয়। তবে লড়াই এখানেই শেষ ছিল না।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

চিকিৎসা চলাকালীন শিশুটির রক্তে সংক্রমণ, খাবার হজমে সমস্যা, রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া, জন্ডিস এবং মারাত্মক রক্তাল্পতার মুখোমুখি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েক দফায় তাকে রক্তও দিতে হয়। এই চিকিৎসা পর্বে চিকিৎসক সৌরভ তিওয়ারি এবং যোশি আনন্দ কেরকেট্টা চিকিৎসক দলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালান। টানা কয়েক সপ্তাহের নিবিড় চিকিৎসার পাশাপাশি মায়ের সঙ্গে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার এবং ধাপে ধাপে খাবার দেওয়ার প্রক্রিয়া ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তারপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে শিশুটির শারীরিক অবস্থা। বর্তমানে মা এবং শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে

Previous post

Property Rights: সম্পত্তি নিয়ে বিবাদেই ভেঙে যেতে পারে সুখের সংসার! বিরোধ এড়াতে অবশ্যই করুন এই ৫টি কাজ

Next post

Job Vacancy Durgapur: চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট সুযোগ! দুর্গাপুর CMERI-তে কর্মী নিয়োগ কোনও পরীক্ষা ছাড়া! তারিখ লিখে রাখুন

Post Comment

You May Have Missed