PM Surya Ghar Yojna: নিশ্চিন্তে চালান AC-কুলার, বিল নিয়ে আর ভাবতে হবে না ! এই সরকারি স্কিমে পাবেন ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি বিদ্যুৎ
ইতিমধ্যেই ২৬ লক্ষের বেশি বাড়িতে সোলার প্যানেল
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০২৪ সালে দেশবাসীর জন্য পিএম সূর্য ঘর মুফত বিদ্যুৎ যোজনা চালু করে। প্রকল্প শুরুর সময়ই সরকার জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের ১ কোটি বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ২৬.১৯ লক্ষেরও বেশি বাড়িতে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে এবং তাঁদের বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এই প্রকল্প জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হল প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ। ফলে এসি, কুলার বা ফ্রিজ ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত বিলের চিন্তা অনেকটাই কমে যায়। শুধু তাই নয়, বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর খরচের উপর সরকার সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেয়। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার এই প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তাদের ১৭,৯৬৭.৫৩ কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি প্রদান করেছে।
এই প্রকল্পে একবার বিনিয়োগ করলেই দীর্ঘদিন সুবিধা পাওয়া যায়। কারণ প্রকল্পের আওতায় বসানো সোলার প্যানেলের গড় আয়ু প্রায় ২৫ বছর। ফলে উপভোক্তারা দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় শূন্য বিদ্যুৎ বিলের সুবিধা পেতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী ১ কিলোওয়াট, ২ কিলোওয়াট বা ৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার প্যানেল বসানো যায়।
কত ভর্তুকি পাওয়া যায়?
০-১৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা ১ থেকে ২ কিলোওয়াট সোলার সিস্টেম বসিয়ে ৩০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারেন।
১৫০-৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার সোলার সিস্টেমে ৬০,০০০ থেকে ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারেন।
কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি সোলার প্যানেল বসেছে?
পিএম সূর্য ঘর মুফত বিদ্যুৎ যোজনার আওতায় সবচেয়ে বেশি সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে—
গুজরাট – ৫,৯৩,৮৯৯
মহারাষ্ট্র – ৪,৯০,৪৮৯
উত্তরপ্রদেশ – ৪,২০,৮২৩
কেরল – ২,০৯,৬৪১
রাজস্থান – ১,৫৯,৫৬৬
মধ্যপ্রদেশ – ১,০৪,৪৫৮
এই প্রকল্পে আবেদন করতে হলে প্রথমে PM Surya Ghar Portal-এ যেতে হবে। সেখানে ‘Apply for Rooftop Solar’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের রাজ্য, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা (DISCOM), বিদ্যুৎ গ্রাহক নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেল আইডি দিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর কনজিউমার নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ-ইন করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। ফিজিবিলিটি অনুমোদন পাওয়ার পর DISCOM-এর অনুমোদিত ভেন্ডরের মাধ্যমে সোলার প্যানেল বসানো যাবে। প্যানেল বসানোর পরে নেট মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে। মিটার স্থাপন ও DISCOM-এর পরিদর্শন সম্পন্ন হলে কমিশনিং সার্টিফিকেট দেওয়া হবে এবং এরপর ভর্তুকির টাকা সরাসরি আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
Post Comment