Flower Hub: বিরাট সরকারি বরাদ্দে ভাগ্যের খেলা শুরু, মা লক্ষ্মীর কৃপায় হুড়মুড়িয়ে বাড়বে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স! ফুলচাষিরা এবার লালে লাল

Flower Hub: বিরাট সরকারি বরাদ্দে ভাগ্যের খেলা শুরু, মা লক্ষ্মীর কৃপায় হুড়মুড়িয়ে বাড়বে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স! ফুলচাষিরা এবার লালে লাল

Last Updated:

Flower Hub: কোলাঘাট ও পাঁশকুড়ার ফুল চাষের আন্তর্জাতিক খ্যাতি থাকা সত্ত্বেও এতদিন আধুনিক ‘ফ্লাওয়ার হাব’ বা সংরক্ষণের পরিকাঠামো ছিল না। এর ফলে চাষিরা প্রায়শই সঠিক দাম পেতেন না এবং ফুল নষ্ট হতো। অবশেষে স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে কোলাঘাটে একটি বিশ্বমানের ফুলের হাব এবং ক্লাস্টার তৈরির জন্য রাজ্য সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

+

কোলাঘাটে বিশ্বমানের ফুলের হাব ও ক্লাস্টার তৈরির জন্য বড়সড় আর্থিক বরাদ্দ

কোলাঘাট, সৈকত শী: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অর্থনীতিতে ফুল চাষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কোলাঘাট ও পাঁশকুড়া ব্লকের প্রধান কৃষিজ ফসলই হল ফুল। সারা বছর ধরে এখানে রজনীগন্ধা, গোলাপ, গাঁদা সহ নানা জাতের ফুলের ফলন তো হয়ই, পাশাপাশি শীতকালে মরশুমি ফুলের এক বিপুল সম্ভার তৈরি হয় এই বিস্তীর্ণ এলাকায়। এখানকার চাষিদের রক্ত জল করা পরিশ্রমে ফোঁটা ফুলের সুবাস শুধু রাজ্য বা দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নেই, তা প্রতিনিয়ত পাড়ি দিচ্ছে বিদেশের বাজারেও। তারপরেও এই এলাকার ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কারণ অত্যাধুনিক মানে ফুলের হার ও ক্লাস্টার নেই। অবশেষে রাজ্য সরকারের বদান্যতায় কোলাঘাটে ফুলের হাব ও ক্লাস্টার এর জন্য অর্থ বরাদ্দ হল। আর তাতেই খুশি ফুল চাষিরা।

আন্তর্জাতিক বাজারে কোলাঘাট ও পাঁশকুড়ার ফুলের এত কদর থাকা সত্ত্বেও, এতদিন এখানে কোনও আধুনিক মানের ‘ফ্লাওয়ার হাব’ বা ‘ক্লাস্টার’ ছিল না। ফলে উপযুক্ত পরিকাঠামো ও সংরক্ষণের অভাবে প্রায়শই ফুল নষ্ট হতো এবং চাষিরা সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হতেন। অবশেষে ফুল চাষিদের সেই দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। কোলাঘাটে একটি বিশ্বমানের ফুলের হাব ও ক্লাস্টার তৈরির জন্য বড়সড় আর্থিক বরাদ্দ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। যেখানে থাকবে গ্রেডিং, সর্টিং, প্যাকিং ও কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা। আর এই কাজের জন্য বর্তমান রাজ্য সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছে। সরকারের এই ঘোষণাতে খুশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ফুলচাষি ও ফুলব্যবসায়ী সমিতি।

ফুল চাষের বিপণন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করে তুলতে কোলাঘাট এলাকায় একটি ফুলের হাব গড়ে তোলা হবে। এই প্রকল্পে মূলত যে বিষয়গুলির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, সেগুলি হল, গ্রেডিং ও সর্টিং। ফুলের গুণমান অনুযায়ী সেগুলিকে আলাদা করার আধুনিক ব্যবস্থা। আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং সুবিধা, যা ফুলকে দীর্ঘদিন তাজা রাখবে। ফুল সংরক্ষণের জন্য অত্যাধুনিক হিমঘর, যাতে উদ্বৃত্ত ফুল নষ্ট না হয়। সামগ্রিক আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য বর্তমান রাজ্য সরকারের তরফে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

ফুল চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক এক বিবৃতিতে বলেন, “ফুলচাষি ও ফুলব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল- ফুলচাষ সংশ্লিষ্ট অবিভক্ত জেলায় একটি ‘ফুলের হাব’ গড়ে তোলা হোক। রাজ্যের নবগঠিত সরকার সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে কোলাঘাটে সেই হাব গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন।” রাজ্য সরকারের এই দূরদর্শী ও কৃষক-বান্ধব ঘোষণায় খুশির হাওয়া কোলাঘাট ও পাঁশকুড়ার ফুলমহলে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই হাব চালু হলে ফুলের অপচয় যেমন কমবে, তেমনই সরাসরি আন্তর্জাতিক রফতানির পথ আরও সুগম হবে। অন্যদিকে, মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমায় চাষিরা তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক ও লাভজনক মূল্য পাবেন।

বাংলা খবর/ খবর/ব্যবসা-বাণিজ্য/

Flower Hub: বিরাট সরকারি বরাদ্দে ভাগ্যের খেলা শুরু, মা লক্ষ্মীর কৃপায় হুড়মুড়িয়ে বাড়বে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স! ফুলচাষিরা এবার লালে লাল

Previous post

আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যাবেন মোদি? ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ইরানের

Next post

PM Surya Ghar Yojna: নিশ্চিন্তে চালান AC-কুলার, বিল নিয়ে আর ভাবতে হবে না ! এই সরকারি স্কিমে পাবেন ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি বিদ্যুৎ

Post Comment

You May Have Missed