Hoogly News: দৃপ্ত কন্ঠস্বর এনে দিল সম্মান! মাত্র ২১ বছরেই হুগলির কন্যা পেলেন কমান্ডেশন ব্যাজ
Last Updated:
হুগলির মেয়ে স্বপ্নিলা আচার্য পেলেন কমান্ডেশন ব্যাজ। যার জেরে খুশির জোয়ার বইছে এলাকায়। দেশের সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে দৃপ্ত কন্ঠস্বরের জন্য নজর কেড়েছিলেন তিনি।
হুগলি, নবাব মল্লিক: হুগলির মেয়ে স্বপ্নিলা আচার্য পেলেন কমান্ডেশন ব্যাজ। যার জেরে খুশির জোয়ার এলাকায়। দেশের সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে দৃপ্ত কন্ঠস্বরের জন্য নজর কেড়েছিলেন তিনি। রাজস্থানের জয়পুরে আর্মি ডে প্যারেড হোক বা দেশের সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্য পথের ঘোষণা মাত্র ২১ বছর বয়সি স্বপ্নিলার দৃপ্ত কণ্ঠস্বর নজর কেড়েছিল সকলের। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সেরেমোনিয়াল বিভাগের প্যানেলে তিনিই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ ধারাভাষ্যকার।
এই অনুষ্ঠানগুলিতে অসামান্য সাফল্য দেখানোয় এবার স্বয়ং দেশের সেনা প্রধানের হাত থেকে সম্মানিত হলেন বঙ্গকন্যা স্বপ্নিলা আচার্য। দিল্লির সাউথ ব্লকে তাঁর হাতে ‘কমান্ডেশন ব্যাজ’ তুলে দেন সেনা প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। যার জেরে খুশির জোয়ার বইছে এলাকায়। স্বপ্নিলার বাড়ি হুগলির মগরার দিগসুই গ্রামে। বর্তমানে তিনি দিল্লি ইউনিভার্সিটিতে মাইক্রো বায়োলজির মেধাবী ছাত্রী। তিনি এর আগে ইসরোর ইয়ং সায়েন্টিস্ট হিসাবেও নির্বাচিত হন। স্বপ্নিলার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবার। গর্বিত তাঁর পড়শিরাও।
স্বপ্নিলার বাবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কর্মরত। দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অন্য বিশিষ্ট অতিথিদের সামনে তাঁর ধারাভাষ্য সকলের নজর কাড়ে। অসাধারণ সাফল্যের জন্যই তাঁকে কমান্ডেশন ব্যাজ প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়। ফলে খুশি সকলেই।
স্বপ্নিলার পরিবারের সদস্যরা সকলেই এখন দিল্লিতে থাকেন। স্বপ্নিলা ছোটবেলায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে পড়াশোনা করেন। কিন্তু বাংলার প্রতি টান রয়ে গিয়েছে তাদের পরিবারের। যার জন্য স্বপ্নিলার এই সাফল্যের পর খুশির হাওয়া বইছে হুগলির মগরাতেও।
Hugli,West Bengal




Post Comment