শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুন, কী বললেন শমীক, তরুণজ্যোতি?

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুন, কী বললেন শমীক, তরুণজ্যোতি?

কলকাতা: মধ্যমগ্রামের রাস্তায় ভোট পরবর্তী হিংসার বলি হতে হল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। গাড়ি থামিতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খু*ন করে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে। গোটা বিষয়টাই পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকটা ফলো করে এসে তাঁকে গুলি করা হয়। এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কত নীচে নামতে পারে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলী সংস্কৃতি। এটাই তাঁর প্রমাণ। আমি গত আটমাস ধরে বলে আসছি যে, এই সরকার চলে যাওয়ার পরে দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যপাল, নির্বাচন কমিশনকে। তৃণমূল এবার তৃণমূলকে মারবে। চারিদিকে বিজেপির ঝান্ডা দিয়ে গেরুয়া আবীর মেখে তৃণমূলের লোকই তৃণমূলের পার্টি অফিসই ভাঙছে। আর আজকে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে গুলি চালাল।

যে বিরোধী দলনেতার ওপরে এতবার আক্রমণ হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী শুধু নয়। দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদারের ওপর আগেও আক্রমণ হয়েছে। এবার মানুষ দেখবেন। আমরা রবীন্দ্র, নজরুল সন্ধ্যায় তো আর নেই, আমরা ডিজে-তে চলে গিয়েছি। রাজনীতি সবার জন্য নয়, রাজনীতিও একটা নির্দিষ্ট পথ ধরে চলে। রাজনীতি কারা করে? এখন তো দুষ্কৃতীদের রাজনীতি। এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক খবর আর কীই বা হতে পারে। মর্মান্তিক, হদয়বিদারক খবর। একজন প্রাক্তন এয়ারফোর্সের জওয়ান। তাঁকে এভাবে মেরে ফেলা হল। এটা পরিকল্পিত খুন। এটা তো কোনও ভিড়ের মধ্য়ে গুলি করা হয়েছে এমনটা নয়, এটা একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। চারিদিকে বিজেপির পতাকাকে ব্যবহার করে যা চলছে, তার পর শুভেন্দু অধিকারীকে বার্তা দেওয়া হল। আইনি পথেই সবকিছু করব। সরকারকে ক্ষমতায় আসতে দিন।’

রাজারহাট-গোপালপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছেন, ‘চন্দ্রনাথদা আমাদের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। তাঁর সঙ্গে এটা করে তৃণমূল কংগ্রেস জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করল। এতদিন শান্তির বাণী শোনানো হয়েছিল। কিন্তু শান্তির বাণী তো সবসময় চলে না তাই না। আমার নিজের দাদার মত। শুভেন্দুদার পুরো কাছের মানুষ ছিলেন চন্দ্রনাথদা। রাগের কারণ তো থাকবেই। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়েছেন। সেখান থেকেই রাগ জন্মেছে।’

আরও পড়ুন: বুকের বাঁদিকে দুটো গুলিতেই লেগেই সব শেষ, ফুটো হয়ে যায় হার্ট

ইতিমধ্যেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা দাবি করছেন যে রথীন ঘোষের লোকেরা গুলি চালিয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবারই ইডি দফতরে হাজিরা এড়িয়েছিলেন রথীন ঘোষ। তাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই ঘটনা বলে জানিয়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।

Post Comment

You May Have Missed