বাধ্য হয়েই কাজ থেকে বিরতি, হল অস্ত্রোপচার ও! কোন সমস্যায় ভুগছেন অক্ষয় কুমার?
- অক্ষয় কুমার অস্ত্রোপচার সেরে আপাতত বিশ্রামে রয়েছেন।
- দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যার সমাধানে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
- কেরলম ছবির শ্যুটিং শেষ করে বিরতি নিয়েছেন তিনি।
- অতীতের বৈষ্ণোদেবী যাত্রায় অসুস্থতার অলৌকিক উপাখ্যান আছে।
কলকাতা: অনেকেই মনে করেন, বলিউড অভিনেতা মানেই তাঁরা নায়কোচিত। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন ও সিনেমারই মতো। তাঁরা কখনোই অসুস্থ হন না বা তাঁদের চোট-আঘাতও লাগে না। তাঁরা আগুনের ওপর হাঁটতে পারেন বা জলের ওপর ছুটতে পারেন। তবে বাস্তবতাটা এর থেকে একেবারেই আলাদা। বলিউডে এমন সমস্ত অভিনেতা অভিনেত্রীদের নজির রয়েছে, যাঁদের বিভিন্ন শারীরিক প্রতিকূলতা নিয়ে কাজ করতে হয়। এদের মধ্যে একজন হলেন, অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। অভিনেতাকে সবাই চেনেন, ‘বলিউডের স্টান্সম্যান’ হিসেবে। দুর্দান্ত সব স্টান্স দেখাতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। তবে শ্যুটিং করতে গিয়ে বহু সময়ে, বহুবারই চোট-আঘাত লেগেছে অভিনেতার। তবে জানা যাচ্ছে, এবার শারীরিক কারণেই কাজ থেকে একটু বিরতি নিয়েছেন তিনি। কী হয়েছে অক্ষয় কুমারের?
আরও পড়ুন: Dev On BJP: ব্যান সংস্কৃতি ও বিভেদ তৈরির চেষ্টা যেন…BJP-র কাছে আবেদনে কি নিজের দলকেই খোঁচা দেবের?
কোন সমস্যায় ভুগছেন অক্ষয় কুমার?
অক্ষয়কের অসুস্থতার খবর শুনে, উদ্বিগ্নই হয়েছিল টিনসেল টাউন। তবে অভিনেতার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা গুরুতর নয়। অক্ষয় কুমারের চোখে একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। আজই সেটি সম্পন্ন হয়েছে সঠিকভাবেই। দৃষ্টিশক্তিজনিত কিছু সমস্য়ায় ভুগছিলেন অক্ষয়, সেটা ঠিক করার জন্যই এই অস্ত্রোপচার। তবে অপারেশন গুরুতর না হলেও, এই সময়টা অভিনেতাকে একেবারে বিশ্রাম নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ সঠিক বিশ্রাম না পেলে দীর্ঘমেয়াদি কোনও সমস্যা তৈরি হতে পারে। ইতিমধ্যেই, ‘কেরলম’ ছবির শ্যুটিং শেষ করে ফেলেছেন অক্ষয়। এই ছবিতে বিদ্যা বালান এবং রাশি খান্নাও দেখা যাবে। আপাতত বেশ কিছুটা বিরতি নেবেন অক্ষয়। এরপরে ফের শুরু করবেন নতুন কাজ।
অক্ষয়ের অলৌকিক অভিজ্ঞতা
সদ্য অক্ষয় কুমার স্বীকার করেছিলেন বৈষ্ণোদেবী মন্দির দর্শনে গিয়ে তাঁর অলৌকিক এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তবে সেই সময়ে তিনি বড্ড ছোট, বাবা মায়ের সঙ্গেই সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে হঠাৎ ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অক্ষয়। জ্বর বাড়তে বাড়তে ১০৪ ছুঁয়ে ফেলে, কাজে দিচ্ছিল না কোনো চিকিৎসাই। সেই সময়ে এক ব্যক্তি এসে বলেন, ‘আপনার ছেলের হাসিটা ভীষণ সুন্দর’। তখন বাবা-মা দেখেন যে, অক্ষয় হাসছেন। সেই সময়েই তাঁর বাবা-মা দেখেন, অসুস্থ অক্ষয় হাসছেন। তারপরেই অক্ষয় ঠিক হয়ে যান। গোটা বিষয়টার স্মৃতি নেই অক্ষয়ের। তিনি বাবা ও মায়ের থেকেই এই গল্প শুনেছেন।



Post Comment