হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, এখনও অধরা ২ মূল অভিযুক্ত

হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, এখনও অধরা ২ মূল অভিযুক্ত

হাওড়া : হাওড়া-হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ৩ দিন পার। এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত হারুন খান ও রোহিত হোসেন। এদিকে, পিলখানায় প্রোমোটার খুনের ঘটনায় উদ্ধার হল খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র। শুক্রবার রাতে, ধৃত মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্নার বউবাজারের বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। গত বুধবার কাকভোরে হাওড়ার পিলখানায়, প্রোমোটার সফিক খানকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, সফিক খানকে খুন করে, কলকাতার বউবাজারে সঙ্গী মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্নার বাড়িতে আশ্রয় নেয় হারুন খান ও রোহিত হোসেন। ওই বাড়ির জলের ট্যাঙ্কে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখা হয়। সেই রাতেই হাওড়া সিটি পুলিশ ও গোলাবাড়ি থানার যৌথ উদ্যোগে মহম্মদ বিলাল, মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্না ও দিলদার হোসেনকে পাকড়াও করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোথায় হারুন খান ও রোহিত হোসেন? পুলিশ সূত্রে দাবি, ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চম্পট দিয়েছে তারা। 

হাওড়ায় প্রোমোটার খুনের পর পেরিয়ে গেছে ২দিনেরও বেশি সময়। মূল আততায়ী হারুন খান ও রোহিত হোসেনকে সাহায্য করার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোথায় হারুন খান ও রোহিত হোসেন? ইতিমধ্যেই হারুন খানের তৃণমূল যোগের অভিযোগ উঠেছে। কারণ, ঘটনার পরপরই ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি। কোথাও দেখা যাচ্ছে, হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর মোটরবাইকের পিছনেই বসে আছে হারুন, কোথাও আবার তৃণমূল বিধায়কের গা ঘেঁষে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে তাকে। কিন্তু প্রশ্ন হল, CCTV ফুটেজে যাঁদেরকে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে খুন করতে দেখা যাচ্ছে, তিন দিনের মাথাতেও তাদের পুলিশ ধরতে পারল না কেন? 

হাওড়ায় প্রোমোটার খুনের পর পেরিয়ে গেছে ২ দিন। এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত হারুন খান এবং রোহিত হোসেন। এই আবহে, সামনে এল হাড় হিম করা আরও একটি ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ। যেখানে, খুনের মুহূর্তের ছবি ধরা পড়েছে। অন্যদিকে, শুক্রবারই এই ঘটনায়, CID তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছে নিহত সফিক খানের পরিবারের সদস্য়রা। নিহতের পরিবারের আবেদনে সাড়া দিয়ে, শুক্রবার CID তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ঘটনায় ইতিমধ্য়ে মহম্মদ বিলাল, মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্না ও দিলদার হোসেন নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু মূল অভিযুক্তরা গেল কোথায়? 

Previous post

Rules Changes From 1st March: ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে বদলাতে চলেছে একাধিক বড় নিয়ম, দেখে নিন আপনার জীবনে কী প্রভাব পড়তে চলেছে

Next post

যদি নাম ‘ডিলিট’ হয়, কী ভাবে বুঝবেন…? ‘অ্যাডজুডিকেশন’ আওতায় হলে কী চিহ্ন থাকবে? ছবি দেখে বুঝে নিন সহজেই!

Post Comment

You May Have Missed