‘প্রথমে না করে দিয়েছিলাম, কিন্তু…, ‘বর্ডার’ ছবির স্মৃতিচারণায় সুনীল শেট্টি

‘প্রথমে না করে দিয়েছিলাম, কিন্তু…, ‘বর্ডার’ ছবির স্মৃতিচারণায় সুনীল শেট্টি

শুক্রবার মুম্বইতে (Mumbai) শুরু হল এবিপি নেটওয়ার্কের আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়া সম্মেলন ২০২৬। দু’দিনব্যাপী চলবে এই সম্মেলন। অংশ নেবেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা বিভিন্ন রথী মহারথীরা। আজ, অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন এবিপি নেটওয়ার্কের চিফ এডিটর অতিদেব সরকার। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সূচনা হয় এই অনুষ্ঠানের। সম্মেলনের প্রথম দিনে এবিপি নেটওয়ার্কের আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়া সম্মেলন ২০২৬-এ নিজের উজ্জ্বল উপস্থিতি রাখেন বলিউড তারকা সুনীল শেট্টি। অ্যাকশন হোক বা কমেডি কিংবা রোম্যান্স – অভিনয়ের প্রতিটি আঙিনায় তিনি স্বপ্রতিভ। বছরের পর বছর দর্শকদের মনে বাস তাঁর। বলিউডে ‘আন্না’ নামেই বহুল পরিচিত সুনীল শেট্টি শুধুমাত্র অভিনয়েই সীমিত থাকেননি। তিনি একাধারে ফিল্ম প্রোডিউসার, টেক ইনভেস্টর এবং একজন উদ্যোক্তাও বটে। 

১৯৯০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কেমন যাত্রা?  

এবিপি নেটওয়ার্কের আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়া সম্মেলন ২০২৬-এ এসে সুনীল শেট্টি বলেন, “আমার মনে হয়, আমার যাত্রা এখনও শেষ হয়নি, চলছে। কখনও ভাবিনি আমি এই ইন্ডাস্ট্রির অংশ হব। মার্শাল আর্টের হাত ধরে এই সুযোগ আসে। বাবাকে বলায় তিনি বলেন একটাই জীবন, নিজের সবচেয়ে ভালোটা দাও। যাই করবে মন থেকে সততার সঙ্গে করবে। আমার মনে হয় সেখান থেকেই আমার যাত্রা শুরু। আমি বাবার কাছে চিরঋণী। পরিশ্রম করে চলেছি, তার জন্যই আমি আজ এখানে।”  

‘বর্ডার’ ছবিটি সুনীল শেট্টির জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? 

তিনি বলেন, “প্রথমে তো আমি ছবিটা করব না বলেই ঠিক করেছিলাম। শুনেছিলাম, ছবির পরিচালক ভীষণ রাগী। এদিকে আমিও দমে যাওয়ার মানুষ নই। ভেবেছিলাম, আমাদের বোঝাপড়া হয়তো তেমন ভালো হবে না। এরপর আমার শাশুড়ি আমাকে বোঝান। ছবিটি করতে সম্মত হই। প্রথমদিন ছবির সেটে যাই। সেইদিন থেকে আজ অবধি জে.পি দত্তজি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, আমার ভাই। বর্ডার ছবিটা না করলে হয়তো মানুষ সুনীল শেট্টিকে মনেই রাখতেন না। ছবিটি আমার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এরপর যখন জানতে পারি অহন ‘বর্ডার-২’ করার সুযোগ পেয়েছে, আমরা স্ক্রিপ্ট শোনার আগেই হ্যাঁ বলেছিলাম।” 

সিনেমার প্রয়োজনে বিভিন্ন চরিত্রের জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেন? 

সুনীল শেট্টির জবাব, “এক একটি ধরনের সিনেমার চাহিদা এক একরকমের। অ্যাকশন ছবির ক্ষেত্রে ফিটনেস ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সুনীল শেট্টি অ্যাকশন হিরো হওয়ার নেপথ্যে ড্যানি সাহেবের ভূমিকা অপরিসীম। আবার ‘ধড়কন’-এর মতো ছবি করতে গিয়ে আমাকে অনুভব করে কাজ করতে হয়েছে। হৃদয় দিয়ে কাজ না করলে দর্শকদের সঙ্গে সংযোগটাই তৈরি হত না। ‘হেরাফেরি’-র মতো কমেডি ছবি করা বেশ কঠিন।” 

নিজের ছবির কোন চরিত্র অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে? 

এই প্রশ্নের উত্তরে সুনীল শেট্টি জানান, “নিঃসন্দেহে বর্ডার। শুটিং হিসেবে বা ছবির চরিত্র, দু’ক্ষেত্রেই এটি কঠিন ছিল।” ‘রিয়েল হিরো’-র চরিত্রে অভিনয় নিয়ে নিজের ভাবধারা প্রকাশ করেন অভিনেতা। 

আগামীতে কোন কোন ছবি? 

সম্প্রতি ‘বর্ডার ২’-তে একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনীল শেট্টি। পরবর্তীতে তাঁকে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ এবং ‘হেরা ফেরি ৩’-তে দেখা যাবে।

Previous post

Holi 2026 Trip: খুব কম বাজেটে দোলে প্রচুর ‘মস্তি’, বীরভূমের ‘এই’ কয়েকটি জায়গা সেরা ঠিকানা, ঘুরে আসুন

Next post

Digha Jagannath Temple: প্রথম বসন্ত উৎসবে রঙিন হতে চলেছে দিঘা জগন্নাথ মন্দির, পর্যটকদের ঢল নামার অপেক্ষা! জানুন জরুরিকথা

Post Comment

You May Have Missed