মোদির খোলা চিঠি, পাল্টা ‘কটাক্ষ পত্র’ তৃণমূলের,
<p><strong>কলকাতা:</strong> মোদির খোলা চিঠি, পাল্টা ‘কটাক্ষ পত্র’ তৃণমূলের। ‘বাংলার মানুষের কাছে আমার অকপট স্বীকারোক্তি’, মোদির খোলা চিঠিকে কটাক্ষ করে পোস্ট তৃণমূলের। ‘আমি বারবার দাবি করেছিলাম, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজো নিষিদ্ধ হয়েছে’, শেষ পর্যন্ত সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে পোস্ট রাজ্যের শাসকদলের। </p>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2FAITCofficial%2Fposts%2Fpfbid029Wv5Lmt2NV2yUuHvEM7Ega1d78Q333a7XjRxxxYnrkjqeSzQXiLLoQZMbvXcEjerl&show_text=true&width=500" width="500" height="608" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p>[yt]https://youtu.be/zZR71i01-9w?si=5N-_e9Sa5HYz32k8[/yt]</p>
<p>আরও পড়ুন, <a title="ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন শমীক ভট্টাচার্য ! পাল্টা কুণাল" href="https://bengali.abplive.com/news/kolkata/west-bengal-assembly-election-2026-sir-bjp-news-samik-bhattacharya-says-chief-election-commissioner-gyanesh-kumar-should-come-in-bengal-1168076" target="_self">ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন শমীক ভট্টাচার্য ! পাল্টা কুণাল</a></p>
<p>মূলত, এর আগে তেইশে ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি লিখেছিলেন, আর মাত্র কয়েক মাস, তারপরেই নির্ধারিত হবে পশ্চিমবঙ্গের ভাগ্য। আমার স্বপ্নের সোনার বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতা আজ চরম বঞ্চনার শিকার। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আমি একটিই সংকল্প গ্রহণ করেছি, পশ্চিমবঙ্গকে বিকশিত’ ও সমৃদ্ধ করে তোলার সংকল্প। আর কতদিন আমরা মুখ বুজে সহ্য করব? এবার পরিবর্তন অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, স্বামী বিবেকানন্দ ও ঋষি অরবিন্দের মতো যুগপুরুষরা যে পশ্চিমবঙ্গের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজ ভোটব্যাঙ্কের সংকীর্ণ রাজনীতি, হিংসা ও নৈরাজ্যে জর্জরিত। যা আমার এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে অত্যন্ত পীড়াদায়ক৷ পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ‘স্বাধীনতার ডাক’ একদা গোটা দেশকে উদ্বুদ্ধ করেছিল, আজ সেই পুণ্যভূমিই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নারী নির্যাতনে কলঙ্কিত। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার বাংলায় আজ ভুয়ো ভোটারের দাপট। প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে উঠে আসে শরণার্থী ইস্য়ুও। ধর্মীয় হিংসার শিকার আমাদের শরণার্থী ভাই- বোনেরা নাগরিকত্ব পাবেন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশমুক্ত এক সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে আমার পশ্চিমবঙ্গে৷ খোলা চিঠিতে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p>অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে এবার পোস্ট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তীব্র কটাক্ষ করে সেখানে লিখেছে, ‘জয় মা কালী স্লোগান তুলে লোকদেখানো ভক্তির অভিনয় করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই একগুচ্ছ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সবার সামনে নিজের আসল ছবি তুলে ধরছি। বাংলার উন্নয়নের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে বাংলার প্রাপ্য আটকে রেখেছি। এগুলো আমারই পরিকল্পিত বঞ্চনা, যা রাজ্যের সাধারণ মানুষের জীবনে দুর্ভোগ ডেকে এনেছে। আমার নীতিগুলো দেশের মানুষের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, পোস্টে দাবি তৃণমূলের।এখানেই শেষ নয়, লেখা হয়েছে, ‘আমার দলের শাসনে চলা রাজ্যগুলোতে বাঙালিদের নিশানা করা শুরু করেছি।মাতৃভাষার মাধ্যমে পরিচয় নির্ধারণ করে আটক, দেশান্তর, নির্যাতন করছি।আমি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে অত্যন্ত হাল্কাভাবে বঙ্কিমদা বলে সম্বোধন করেছি।পশ্চিমবঙ্গের মনোবল ভাঙতে না পেরে বাঙালিদের ঘুষপেটিয়া বলে দেগে দিয়েছি।এত কিছুর পরও জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাই নির্বাচন কমিশনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলাম।বৈধ ভোটার বাদ দিতে পশ্চিমবঙ্গের উপর তড়িঘড়ি SIR চাপিয়ে দিলাম।ব্যর্থ প্রধানমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আমি আপনাদের মাটিতে পা রাখব।বিকশিত বাংলার ফাঁপা বুলি আওড়াব এবং আপনাদের সমর্থনের ভিক্ষা করব’, প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে পোস্ট তৃণমূলের।</p>



Post Comment