চারহাত এক হল বিজয়-রশ্মিকার, ‘তোমাকে নিয়ে লিখতে পারি বই’, প্রিয় ‘বিজু’কে লিখলে নায়িকা

চারহাত এক হল বিজয়-রশ্মিকার, ‘তোমাকে নিয়ে লিখতে পারি বই’, প্রিয় ‘বিজু’কে লিখলে নায়িকা

মুম্বই: সব জল্পনার অবসান। চার হাত এক হয়ে গেল বিজয় দেবরকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানার। প্রেম নিয়ে এতদিন রাখঢাক করলেও, বিয়ের খবর জানাতে গিয়ে বুক ঠুকে ‘স্বামী’র সঙ্গে সকলের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন নায়িকা। সত্য়িকারের ভালবাসা কাকে বলে, বিজয়ই তাঁকে শিখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। রশ্মিকার সঙ্গে বিয়ের ছবি দিয়েছেন বিজয়ও। তাঁর আবেগঘন পোস্টও নজর কেড়েছে সকলের। (Rashmika Mandanna-Vijay Deverakonda Wedding Photos)

ইনস্টাগ্রামে বিয়ের একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন রশ্মিকা এবং বিজয়। কোথাও বিজয়ের মুখে ঠোঁট ছুঁইয়ে রয়েছেন নায়িকা, কোথাও আবার পরস্পরের আলিঙ্গনবদ্ধ তাঁরা। ওই ছবি পোস্ট করে নিজের সমস্ত আবেগও উজাড় করেন দেন রশ্মিকা। লেখেন, ‘আপনাদের সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই, আমার স্বামী, বিজয় দেবরকোন্ডা’। (Celebrity Wedding)

দীর্ঘ পোস্ট বিজয়কেই উৎসর্গ করেন রশ্মিকা। লেখেন লেখেন,—

‘সেই পুরুষ, যে আমাকে সত্যিকারের ভালবাসা শিখিয়েছে, 

সেই পুরুষ যে শান্তির অনুভূতি কী, দেখিয়েছে আমাকে!

সেই পুরুষ, যে আমাকে বলে, বড় স্বপ্ন দেখা একেবারে সঠিক

এবং লাগাতার বলে গিয়েছে সব অর্জনের ক্ষমতা আছে আমার

যা আমি পর্যন্ত কখনও কল্পনা করতে পারিনি!

সেই পুরুষ, যে কখনও লোকে দেখছে বলে আমাকে নাচতে বাধা দেয়নি…

সেই পুরুষ, যে আমাকে দেখিয়েছে, বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার বিকল্প নেই,

এবং বিশ্বাস করুন এই পুরুষটিকে নিয়ে বই লিখতে পারি আমি!

আমি আজ এই নারী হতে পেরেছি কারণ তুমি আমাকে আজকের এই নারী করে তুলেছো!

আমি সত্যিই আশীর্বাদধন্য! বিজু, তোমার প্রতি অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে গিয়ে সর্বদাই শব্দ কম পড়ে যায়। আমি বরাবরই একথা বলেছি তোমাকে! 

কিন্তু তুমি জানো, আমার সব কৃতিত্ব, লড়াই, সুখ, দুঃখ, আনন্দ, জীবন…এখন সবের অর্থ বুঝতে পারছি…কারণ তুমি আছো…সব দেখছো…আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায়! তোমার স্ত্রী হতে পেরে উত্তেজনা অনুভব করছি! তোমার স্ত্রী, তোমার স্ত্রী হিসেবে ডাকা হবে আমাকে। এখন উদযাপনের সময়। ভালবাসি তোমাকে’।

অন্য দিকে বিজয় লেখেন, ‘একদিন খুব মিস করছিলাম ওকে।

এত মিস করছিলাম যে মনে হল, ও থাকলে দিনটা ভাল যেত। 

উল্টো দিকে বসে থাকলে খাবার আরও সুস্বাদু মনে হতো। 

ও পাশে থাকলে শরীরচর্চায় হয়ত শাস্তি মনে হতো না, আরও আনন্দদায়ক হতো।

মনে হচ্ছিল, ওকে চাই আমার- যেখানেই থাকি না কেন, ওই আশ্রয়-শান্তি অনুভব করতে চেয়েছিলাম

তাই নিজের প্রিয় বন্ধুকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলাম’।

রাজস্থানের উদয়পুরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন বিজয় এবং রশ্মিকা। মালাবদলের সময় তাঁরা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে। বিয়েতে অনামিকা খন্নার নকশা করা শাড়ি পরেছিলেন রশ্মিকা। সোনার গয়নায় ঢাকা ছিল গা। বিশেষ করে তাঁর গলার নেকলেস, বাজুবন্ধ, চিকলি এবং বড় আকারের ঝুমকো নজর কেড়েছে সকলের। বিজয়ও রাজকীয় সাজে বিয়ের মণ্ডপে উপস্থিত হন। আইভরি ধুতির উপর সিঁদুররঙা অঙ্গবস্ত্র পরেছিলেন তিনি। কানে দুল ছিল তাঁর, কোমরে ছিল কোমবরবন্ধ। হলায় নেকলেস, হাতে ব্রেসলেটও পরেছিলেন।

Post Comment

You May Have Missed