হাওড়ায় প্রোমোটারকে গুলি করে খুন, অভিযুক্তের সঙ্গে তৃণমূল যোগের অভিযোগ বিজেপির !
Howrah Shootout: হাওড়ায় প্রোমোটারকে গুলি করে খুন। অভিযুক্তের সঙ্গে তৃণমূলের যোগের অভিযোগ। ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির দেওয়া ভিডিওয় তৃণমূল বিধায়কের বাইকে হারুন খান। এই হারুন খানই প্রোমোটার খুনে অভিযুক্ত। ভোটের মুখে হাওড়ায় প্রোমোটার খুন। মৃতের বাড়ি গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক। স্থানীয়দের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েন হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিজেপির প্রকাশ করা ভিডিওতে, এই বিধায়কের বাইকেই দেখা গিয়েছে হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে অভিযুক্ত হারুন খানকে।
ভোটের মুখে হাওড়ায় হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড। ভরা রাস্তায় প্রোমোটারকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। গোলাবাড়ি থানার পিলখানা রোডে হয়েছে শ্যুটআউট। নিহত সফিক খান পেশায় প্রোমোটার, বয়স ২৭। প্রথমে প্রোমোটারকে পিছন থেকে মাথায় গুলি করে এক দুষ্কৃতী। তিনি রাস্তায় পড়ে যেতেই সামনে থেকে ফের গুলি করা হয় ওই প্রোমোটারকে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রোমোটারের মাথা ও বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে যায় বুলেট। ভোটের মুখে গোলাবাড়িতে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়েছে হাড়হিম করা ফুটেজ। এই সিসিটিভি ফুটেজ দেখেই অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।
হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানা রোডে গুলি করা খুন করা হয়েছে ২৭ বছর বয়সী প্রোমোটার সফিক খানকে। বুধবার ভোররাতে ঘটে এই ঘটনা। এরপর থেকেই চাঞ্চল্য রয়েছে এলাকায়। আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন তাঁরা। ওই এলাকার বিধায়ক (হাওড়া উত্তর) গৌতম চৌধুরী। বিজেপি একটি ভিডিও শেয়ার করেছে যেখানে এই বিধায়কের বাইকে দেখা গিয়েছে সফিককে খুন করার পিছনে অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানকে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।
ভোটের মুখে হাওড়ায় হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড। ‘এলাকার দুই কুখ্য়াত দুষ্কৃতী হারুন খান ও রোহিতের সঙ্গে ব্যবসায়িক শত্রুতার জের’, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরেই শ্যুটআউট, পুলিশ সূত্রে দাবি। CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হারুন খান এবং রোহিত হুসেনের খোঁজ চলছে। জনবহুল এলাকায় হেঁটে এসে প্রোমোটারকে মাথায়, বুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি, তারপর পায়ে হেঁটেই পালাল দুষ্কৃতীরা ! কোথায় নিরাপত্তা, উঠছে প্রশ্ন। কীভাবে জনবহুল এলাকায়, প্রকাশ্য রাস্তায় একজনকে এভাবে গুলি করে খুন করা হল, তা নিয়ে উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এলাকাবাসী। এখনও অধরা অভিযুক্তরা।



Post Comment