‘বাকি ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে দুবাই’, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা : বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী। টেনে আনলেন পূর্বতন সরকারের আমলে বীরভূমের পাথর খাদান থেকে রাজস্ব আদায়ের বিষয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বীরভূমে পাথরে কী করেছে জানেন ? আপনাদের হাতে ছিল পার্টি। সব ল্যাম্পপোস্ট ছিলেন। আসল তো যুবরাজ। আসল তো ভানুয়াতু। প্রতিবাদ করেননি। আমার বুকে পাটা ছিল, আমি প্রতিবাদ করেছি। সব মেনে নিয়েছিলেন। একবছরে বীরভূমের পাথর থেকে রেভিনিউ দিয়েছেন ৬০ কোটি টাকা। আর আমরা ৯ মে শপথ নেওয়ার পরে ১ মাসে রেভিনিউ দিয়েছি ৮৩ কোটি টাকা। এটা ১০০ কোটি হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অ্যাকাউন্টে ১০০ কোটি, বাকি ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে দুবাই।”
সুর আরও চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অন-রেকর্ড যা যা ভুল করে গেছেন, প্রাক্তন পিএইচই মন্ত্রী আছেন…পিএইচই-র ঠিকাদার কাকদ্বীপের স্টেট ব্যাঙ্কের শাখা থেকে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি টাকা ট্রান্সফার করেছে, ছেড়ে দেব আমি ? আপনি ভেবেছেন ছেড়ে দেব ? ছেড়ে আমি দেব না।”
এ প্রসঙ্গে এবিপি আনন্দর শোয়ে যোগ দিতে আসা অধ্যাপক প্রতীপ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় যেটা হয়েছে বোঝা যাচ্ছে যে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে কথাগুলো বলছেন, একদম সাধারণ মানুষের কথা। সাধারণ মানুষ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে কী চান, সেটাই তাঁর কথায় বারবার ফুটে উঠছে। আজ যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের একের পর এক এই যে, সোনা…এই ধরনের দুর্নীতি, এগুলো কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী সঠিকভাবে বলছেন। যে, এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলে, আজ পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারের কাছে দুটো কাজ। এক, সঠিক পথে বাংলাকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়া। আর দুই, যারা এতদিন বাংলাকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার অন্তরায় ছিলেন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে শাস্তি দেওয়া । এই দুটো কাজ আগামীদিনে একসঙ্গে করতে হবে। আমার মনে হয়, আজকের যে তাঁর বিধানসভার ভাষণ সেই ভাষণে তার প্রতিফলন ঘটেছে।” তাঁর সংযোজন, “আজ তৃণমূল কংগ্রেসের যত খারাপ কথা আপনি বলবেন, আজ দেখুন তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে যারা আছেন, তাঁরা কোনও না কোনওভাবে বাঁচার চেষ্টা করছেন। এটা কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী কুণাল ঘোষকে বলেছেন যে, আপনি লিখিত দিন। যদি আপনার কাছে অভিযোগ থাকে, কেউই বাঁচবে না।”
Aroop Biswas: “আমি তৃণমূল, তৃণমূল, তৃণমূল”, আর যা বললেন অরূপ বিশ্বাস…



Post Comment