Suvendu Adhikari: এই সেশনেই ‘সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত’ বিল! বিধানসভায় দাঁড়িয়ে…‘হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের প্রাসাদ’ নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
Last Updated:
Suvendu Adhikari: ‘‘১৩ জনের সই আছে, যারা রেজোলিউশনে সই করেনি। আপনাদের অভিযোগ ছিল। অনেক জেলা ছিল, তাই সিআইডিকে দিয়েছি। সিআইডি হাতের লেখা পরীক্ষা করে, সেখানে তিন জন স্বীকার করে সই তাদের নয়। আপনারা সব ল্যাম্পপোস্ট। আসল ছিল যুবরাজ। কেউ প্রতিবাদ করেননি। আমার বুকের পাটা ছিল, আমি প্রতিবাদ করেছি’’, বিধানসভায় নাম না করেই অভিষেককে খোঁচা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷
কলকাতা: বিধানসভায় দাঁড়িয়ে নাম না করে কালীঘাটের উদ্দেশ্যে একের পর এক তোপ৷ কখনও বললেন, ‘সব ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, কখনও আবার নাম না করেই মমতাকে বলে দিলেন, ‘রোজ মিছিল করুন। কিন্তু ফিরতে পারবেন না। ওই চ্যাপ্টার ক্লোজড’। কখনও আবার সরাসরি বললেন, ‘‘আর আজ দেখুন আপনি বাড়িতে বসে আমার বক্তৃতা শুনছেন।’’ নাম না করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন পর পর আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷
এদিন বিরোধী তৃণমূলের প্রতি সৌজন্যের রাজনীতি বজায় রাখার কথা মনে করালেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও বার্তা দেন শুভেন্দু৷
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার বক্তৃতায় বলেন, ‘‘এই সেশনে বিল আসছে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করব। সম্পত্তি অকশন করব। ওই আমতলা, হরিশ মুখার্জি, হরিশ চ্যাটার্জি রোডের ওই প্রাসাদগুলোতে কলকাতার রাস্তায় রাত্রিবেলা ফ্লাইওভারের নীচে যারা থাকে, তাঁদেরকে রাখাব। এই সেশনের শেষ দিনে বিল এনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে৷’’ দুর্নীতি তোলাবাজির অভিযোগ থাকলে সম্পত্তি নিলামের সম্ভাবনা রাখবে সরকার।
এদিন বক্তৃতার শুরুতেই তৃণমূলের উদ্দেশ্যে শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমাকে অনুমতি দিতেন না। আপনার নেত্রী রাণি রাসমণিতে বসতে চাইলেন। পুলিশ আমাকে জিজ্ঞাসা করল স্যার কি করব? আমি বললাম বসতে দিন ওয়াই চ্যানেল। রোজ মিছিল করুন। কিন্তু ফিরতে পারবেন না। ওই চ্যাপ্টার ক্লোজড। আমি ২০১১ সালে আপনাদের আনতে রাস্তায় ছিলাম। আর ২০২৬ সালে আপনাদের সরাতেও রাস্তায় ছিলাম। যারা কমিউনিস্টদের সরিয়ে লড়াই করেছিল। তারা চলে গেল। দল কাদের হাতে গেল? লাল চুল কানে দুল তারাই হল যুব তৃণমূল।’’
এখনও আদি তৃণমূলে থেকে যাওয়া নেতাদের নামও শুভেন্দুর বিধানসভার বক্তৃতায় উঠে আসে এদিন৷ বলেন, ‘‘শোভনদেব চ্যাটার্জি, সমর মুখার্জি এরা রাজনীতিতে ভদ্রলোক। এদের উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাই। আমার কথাায় রতুয়ার বিজেপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ হতে পারেন। কিন্তু এটা মানতে হবে। তবে জাহাঙ্গীর খান, শওকত মোল্লা, দিলীপ মন্ডল, সোনা পাপ্পু, রাজু নস্কর ছাড় পাবেন না।’’
বলেন, ‘‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আপনাদের কথা ভাবে না। উনি ভাবেন ওনার দাদার বাড়ি ভাঙ্গা হয়েছে কিনা! ভাইপো জেলে যাওয়া কিভাবে আটকানো যায়। নন্দীগ্রামেও হেরেছেন, ভবানীপুরেও হেরেছেন। যিনি নিজের বুথে হারেন। তাকে জননেত্রী মানতে হবে? আমাকে এখান থেকে বলেছিলেন পুরসভায় জিততে পারেন না। আর আজ দেখুন আপনি বাড়িতে বসে আমার বক্তৃতা শুনছেন।’’




Post Comment