তারাতলা কাণ্ডে কালীচরণের থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চাইছেন গোয়েন্দারা

তারাতলা কাণ্ডে কালীচরণের থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চাইছেন গোয়েন্দারা

Last Updated:

তারাতলায় গোডাউন ধসের ঘটনার তদন্তে পর্যাপ্ত সহযোগিতা করছেন না কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য সংগ্রহের জন্য কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গোয়েন্দারা।

তদন্তে সাহায্য করছেন না কালীচরণ
তদন্তে সাহায্য করছেন না কালীচরণ

তারাতলায় গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনার তদন্তে সহায়তা করছেন না কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই সূত্রের খবর। তথ‍্য পেতেই পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গোয়েন্দারা।

হেফাজতে থাকা কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ জেরা করা হয় আজ, অর্থাৎ শনিবার। সূত্রের দাবি, জেরার মুখে অধিকাংশই প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্ল‍্যান অনুমোদন থেকে আর্থিক লেনদেন, কালীর ভূমিকা ও প্রভাব জানতে মরিয়া লালবাজারের পুলিশ আধিকারিকরা।

শনিবার পুরসভার বিল্ডিং দফতরের তিন থেকে চার জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন লালবাজারের আধিকারিকরা। যোগাযোগ করা হয় পুরসভার বেশ কয়েকটি বিভাগের কর্মীদের সঙ্গেও। সূত্রের খবর, বিল্ডিং বিভাগ-সহ বেশ কিছু বিভাগের কয়েক জনের সাথে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

তদন্তকারী আধিকারিকরা নিম্নলিখিত বিষয়গুলি জানতে চাইছেন। কী পদ্ধতিতে প্ল‍্যানের অনুমোদন দেওয়া হয়? অনুমোদন দেওয়ার পর নজরদারির কি ব‍্যবস্থা থাকে? কালীর সুপারিশে অনুমোদন প্রাপ্ত প্ল‍্যানের ক্ষেত্রে কী করা হয়েছে?

সেই সঙ্গে প্ল‍্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এসেছে, এই টাকা সরাসরি কি কালী নিতেন, না কি অন‍্য কারও কাছে জমা হত। হাত ঘুরে কালী ও তার সহযোগীরা পেতেন? এই সব প্রশ্নের জট খুলতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, তারাতলায় গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)৷ তদন্তে নেমে তারাতলা বিপর্যয়ের নেপথ্যে পুরসভার একাধিক অফিসারের ‘চোখ বন্ধ’ করে থাকাও সমান ভাবে দায়ি মনে করছেন সিটের কর্তারা৷

নিয়ম বলছে, প্ল‍্যানের নকশা জমা পড়া থেকে অনুমোদন এবং অনুমোদন পাওয়ার পর নির্মাণ কাজ চলাকালীন একাধিক বার পুরসভার তরফে নজরদারি চালানো হয়ে থাকে। যা তারাতলার এই নির্মাণে হয়নি বলেই সূত্রের খবর৷ ওয়ার্ডের সাব এঞ্জিনিয়ার থেকে বোরো অফিসের অ‍্যাসিস্ট‍্যান্ট এঞ্জিনিয়ার হয়ে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, যাঁদের নজরদারি থাকার কথা ছিল নির্মাণে। যা হয়নি বলেই তথ্য উঠে এসেছে৷

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

তারাতলা কাণ্ডে কালীচরণের থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চাইছেন গোয়েন্দারা

Post Comment

You May Have Missed