Mid Day Meal Menu: পাতে গরম গরম আলুর পরোটা আর ঘুগনি, স্কুলে এলাহি আয়োজন! বিশেষ মেনুতে আহ্লাদে আটখানা খুদেরা

Mid Day Meal Menu: পাতে গরম গরম আলুর পরোটা আর ঘুগনি, স্কুলে এলাহি আয়োজন! বিশেষ মেনুতে আহ্লাদে আটখানা খুদেরা

Last Updated:

Mid Day Meal Menu: স্কুলের মিড-ডে মিলের চেনা ছবিটা যেন হঠাৎ করেই বদলে গেল। রোজকার ডাল, ভাত, সবজির বদলে পাতে পড়ল গরম গরম আলুর পরোটা। সঙ্গে ছিল কাবলি ছোলার ঘুগনি। আর শেষ পাতের মিষ্টিমুখে বোঁদে। ইসকনের ধাঁচে স্পেশাল মেনুতে আহ্লাদে আটখানা খুদে পড়ুয়ারা।

স্কুলের মিড ডে মিল মেনুতে এলাহি আয়োজন, পাতে পড়ল আলুর পরোটা, ঘুগনি আর বোঁদে। (প্রতীকী ছবি)
স্কুলের মিড ডে মিল মেনুতে এলাহি আয়োজন, পাতে পড়ল আলুর পরোটা, ঘুগনি আর বোঁদে। (প্রতীকী ছবি)

দিনহাটা, কোচবিহার: স্কুলের মিড-ডে মিলে স্পেশাল মেনু। রোজকার একঘেয়েমি ডাল-ভাতের বদলে মহাভোজ। অভিনব উদ্যোগের সাক্ষী থাকল উত্তরবঙ্গ। কলকাতা পৌরনিগম এলাকার স্কুলগুলির মিড-ডে মিলের দায়িত্ব এবার ইসকনকে দেওয়া হচ্ছে বলে বাজেট পেশের সময় ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আর সেই ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ইসকনের বিশেষ মেনুর অনুকরণে কোচবিহারের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিবেশন করা হল স্পেশাল মিড-ডে মিল।

সোমবার কোচবিহারের দিনহাটা-২ সার্কেলের পানাগুড়ি এসসি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাতে তুলে দেওয়া হয় এই ভিন্ন স্বাদের বিশেষ মেনু। এদিন খুদেদের পাতে দেওয়া হয়েছিল গরম গরম আলুর পরোটা, চটপটা কাবলি ছোলার ঘুগনি এবং শেষ পাতে মিষ্টি মুখ করার জন্য বোঁদে। প্রতিদিনের চেনা ছকের বাইরে গিয়ে হঠাৎ দুপুরের খাবারে এমন রাজকীয় ও মুখরোচক পদ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠে স্কুলের কচিকাঁচারা।

আনন্দের সঙ্গে তারা এই বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ উপভোগ করে। বিদ্যালয়ের এই অভিনব উদ্যোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক কৌশিক সরকার বলেন, বাজেটে অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। আমরা সেই ভাবনার অনুকরণেই স্কুলে এই বিশেষ মেনুর আয়োজন করেছিলাম। এই উদ্যোগে ছোট ছোট পড়ুয়াদের চোখে-মুখে যে উৎসাহ ও আনন্দ দেখেছি, তাতে আমি অত্যন্ত আপ্লুত। আগামী দিনেও সুযোগ পেলে আমরা এই ধরনের বিশেষ মেনু চালুর চেষ্টা চালিয়ে যাব।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের লোভনীয় ও পুষ্টিকর মেনু মাঝেমধ্যে রাখলে শিশুদের স্কুলে আসার প্রবণতা বাড়ে। পড়াশোনায় তাদের একঘেয়েমিও দূর হয়। এদিন পড়ুয়াদের উৎসাহ দেখে সেই বিষয়টি অনেকটা পরিষ্কার হয়েছে স্কুলের শিক্ষকদের কাছেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আয়োজন মাঝেমধ্যে যদি অন্যান্য স্কুলেও করা হয়, তাহলে তার সার্বিক প্রভাব পড়বে পড়াশোনার ওপর। এরফলে স্কুলছুটের সংখ্যা কমবে। আবার পড়ুয়াদের নতুন স্বাদ উপহার দেওয়া যাবে

Post Comment

You May Have Missed