Hamim Mondal – Arpita Sarkar: লক্ষ্য জেন -জি নেটিজেনদের মগজধোলাই? কে এই শাহজাদ ভাট্টি? হামিম-অর্পিতা গ্রেফতারির পরে কোন পথে তদন্ত

Hamim Mondal – Arpita Sarkar: লক্ষ্য জেন -জি নেটিজেনদের মগজধোলাই? কে এই শাহজাদ ভাট্টি? হামিম-অর্পিতা গ্রেফতারির পরে কোন পথে তদন্ত

Last Updated:

Hamim Mondal – Arpita Sarkar: এছাড়া, চলতি বছরের মে মাসে মহারাষ্ট্র ATS-এর একটি তদন্তে প্রায় ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ৫৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যাঁদের ভাট্টির অনলাইন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। 

কে এই শাহজাদ ভাট্টি, যার সঙ্গে হামিমের যোগ
কে এই শাহজাদ ভাট্টি, যার সঙ্গে হামিমের যোগ

কলকাতা: হামিম-অর্পিতা কাণ্ডে ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ তথ্য৷ অর্পিতা সরকারের সঙ্গে সরাসরি কথা হত “আবিদ জাট333” এবং হামাদ নামে দুটি এক্স হ্যান্ডলের। অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রামে হামিম মণ্ডলের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল পাকিস্তানের জনৈক ‘রাণা’ নামের কোনও ব্যক্তির৷ তবে পাশাপাশি, হামিম মণ্ডলের যোগ পাওয়া গিয়েছে শাহাজাদ ভাট্টির গ্যাং-এর৷ গোটা ঘটনায় দিল্লির যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে উসকানি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও সামনে এসেছে৷

হামিম ও অর্পিতা গ্রেফতারির তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তানি ইনফ্লুয়েন্সার শাহজাদ ভাট্টির নাম। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে সীমান্তপারের একটি র‍্যাডিক্যালাইজেশন ও অপরাধচক্র গড়ে তুলেছিলেন তিনি। সেই কারণেই তাঁর ভূমিকা এখন তদন্তকারীদের বিশেষ নজরে।

হামিম মন্ডলের পারফরম্যান্স দেখে খুশি ছিল শাহজাদ ভাট্টি গ্যাং। দুবাই যাওয়ার অফার এসেছিল হামিমের কাছে, STF এর জেরায় স্বীকার ধৃত জঙ্গির। ভাট্টি গ্যাংয়ের অন্যতম এক মাথা দুবাই থেকে অপারেট করে বলে জানতে পেরেছে STF। তার থেকেই কি ডাক এসেছিল? তদন্ত চলছে৷

সূত্রের খবর, হামিমের থেকে পাসপোর্ট মেলেনি, তবে দুবাই যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদন করার পরিকল্পনা ছিল হামিমের।

প্রায় ৪৫ বছরের শাহজাদ ভাট্টি নিজেকে ব্যবসায়ী, ইনফ্লুয়েন্সার ও ধর্মীয় ভাষ্যকার হিসেবে পরিচয় দেন। “333” ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা পান। ধর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার বিতর্ক এবং ভারত-পাকিস্তান ইস্যু নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করতেন। জনপ্রিয় এই টিকটকার এর ফলোয়ার সংখ্যাও প্রায় সাড়ে 3 মিলিয়ন।

২০১৩ সালে পাকিস্তানে চুরি ও ডাকাতির মামলায় প্রথম পুলিশের নজরে আসেন তিনি। পরে ধর্ষণের অভিযোগও ওঠে, যদিও তা তিনি অস্বীকার করেন। ২০১৫ সালের দিকে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে চলে যান এবং সেখান থেকেই নিজের কর্ম কাণ্ড পরিচালনা করে।

২০১৮ সালের পর টিকটকে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ে। প্রকাশ্যে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্বের দাবি করেন তিনি। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বিষ্ণোই ঘনিষ্ঠ জিশান আখতারের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল।

ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জলন্ধরে ইনফ্লুয়েন্সার রজার সান্ধুর বাড়ির কাছে গ্রেনেড হামলার পর ভাট্টির নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত জোরদার হয়। দিল্লি পুলিশও তাঁর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তে ধর্মীয়, অসামরিক ও সামরিক-সংযুক্ত স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনার অভিযোগও সামনে এসেছে। একাধিক এফআইআর এবং এনআইএ-সংযুক্ত তদন্তে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ভাট্টির নেটওয়ার্ক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে চিহ্নিত করে প্রথমে ছোট ছোট কাজ, অনলাইন যোগাযোগ ও প্রলোভনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বড় কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার চেষ্টা করত। এই মডেল এখনও তদন্তাধীন। প্রসঙ্গত, এই একই মডেলে হামিম-অর্পিতাও কাজ করেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

Hamim Mondal – Arpita Sarkar: লক্ষ্য জেন -জি নেটিজেনদের মগজধোলাই? কে এই শাহজাদ ভাট্টি? হামিম-অর্পিতা গ্রেফতারির পরে কোন পথে তদন্ত

Post Comment

You May Have Missed