Dragon Fruit Cultivation Profit: রুক্ষ মাটিতেই বছরে ৬০ টন ফলন! এই বিদেশি ফলের চাষে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের সুযোগ, তাক লাগাচ্ছে পুরুলিয়া

Dragon Fruit Cultivation Profit: রুক্ষ মাটিতেই বছরে ৬০ টন ফলন! এই বিদেশি ফলের চাষে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের সুযোগ, তাক লাগাচ্ছে পুরুলিয়া

Last Updated:

Dragon Fruit Cultivation Profit: পুরুলিয়ার অনাবাদী লাল মাটিতে এবার ফলছে বিদেশি ড্রাগন ফ্রুট! আধুনিক প্রযুক্তি ও জৈব সারের মেলবন্ধনে রঘুনাথপুরের এক বেসরকারি ফার্মে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান। জেলা ছাড়িয়ে এই ফলের বাজার এখন ঝাড়খণ্ডেও।

+

ড্রাগন চাষে তাক লাগাচ্ছে পুরুলিয়া

রঘুনাথপুর, পুরুলিয়া, শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি: খরা, রুক্ষ মাটি আর জলের সংকট। এই তিন শব্দই দীর্ঘদিন ধরে যেন পুরুলিয়ার পরিচয় বহন করেছে। কিন্তু সেই লাল মাটির বুকেই এবার ফুটে উঠেছে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর এক নম্বর ব্লকের লছমনপুর গ্রামে এক বেসরকারি উদ্যোগে শুরু হয়েছে ড্রাগন ফ্রুট চাষ, যা ইতিমধ্যেই কৃষি মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

যেখানে জলের অভাবে সাধারণ চাষাবাদই বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতির সাহায্যে রুক্ষ জমিতে সফলভাবে ফলান হচ্ছে বহু গুণসম্পন্ন ড্রাগন ফ্রুট। অসম্ভবকে সম্ভব করে কৃষিক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখিয়েছেন এই ফার্মের উদ্যোক্তারা। ফার্ম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, পুরুলিয়ার মাটির প্রকৃতি ও আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে বিশেষ পরিকল্পনায় গড়ে তোলা হয়েছে এই চাষ ব্যবস্থা। ফলনের গুণগত মান বজায় রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক সেচ প্রযুক্তি, উন্নত চাষপদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত অর্গানিক সার। ফলে শুধু উৎপাদনই নয়, স্বাস্থ্যসম্মত ও উচ্চমানের ফল উৎপাদনেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রেজিস্ট্রেশন শুরু…! সাই ট্রায়ালে সুযোগ পেলেই বদলে যেতে পারে ভবিষ্যৎ, কীভাবে তুলবেন নাম, জানুন খুঁটিনাটি

এ বিষয়ে অভিষেক সিং বলেন, ২০২১ সাল থেকে এই চাষ শুরু হয়েছে। প্রায় ৯০০০ ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে। প্রতিবছর আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ টন ড্রাগন ফল সেল করছেন তারা। মোট ১০ একর জমিতে ড্রাগন চাষ হচ্ছে এখানে। ১৫০ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারিতে তারা বিক্রি করেন। শুধু ড্রাগন ফ্রুট নয়, এই ফার্মে উৎপাদিত বিভিন্ন ফল ও সবজিও এখন জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক শহরে। পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন বাজারেও বাড়ছে চাহিদা। ফলে পুরুলিয়ার কৃষিপণ্য এখন ধীরে ধীরে নতুন বাজার দখল করতে শুরু করেছে।

Previous post

প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকে স্যান্ডো গেঞ্জি-হাফপ্যান্ট পরিয়ে রাস্তায় ঘোরাল পুলিশ

Next post

Manas Bhunia to CM Suvendu Adhikari: ‘মেদিনীপুরের ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে দেখে গর্ব হয়!’ শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসায় মানস

Post Comment

You May Have Missed