Kolkata High Court: ভবানীপুরের কার্যালয়ে সিআইডি, সেই নিয়ে করা তৃণমূলের মামলা ছাড়লেন হাইকোর্টের বিচারপতি, জানানো হল কারণ

Kolkata High Court: ভবানীপুরের কার্যালয়ে সিআইডি, সেই নিয়ে করা তৃণমূলের মামলা ছাড়লেন হাইকোর্টের বিচারপতি, জানানো হল কারণ

Last Updated:

Kolkata High Court: সেদিন কালীঘাটে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিসের সামনে হাজির হন কুণাল ঘোষও। তিনি দেখেন ভিতরে রয়েছেন সিআইডি আধিকারিকরা। কুণাল ঘোষকে এই সিআইডি হানা নিয়ে প্রশ্ন করলেও তিনি সেই প্রসঙ্গে কোনও উত্তর দেননি, তিনি জানান, বিশেষ কাজে তিনি ওই পার্টির অফিসে এসেছেন। কিন্তু সিআইডি কুণাল ঘোষকে ভিতরে ঢুকতে দেয়নি। ঘটনাচক্রে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কলকাতায় ছিলেন না।

কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট

কলকাতা: সইজাল কাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের মামলা ছাড়লেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। এই মামলাটি ছিল কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে সিআইডি তল্লাশিকে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলা। সেই তল্লাশি প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা ছেড়ে দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি। মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, অভিষেকের রক্ষাকবচ মামলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের মামলা ছেড়ে দিলেন বিচারপতি৷ মামলাটি পাঠানো হল প্রধান বিচারপতির কাছে। এখন নির্দিষ্ট বেঞ্চে মামলা পাঠাবেন প্রধান বিচারপতি।

জানা গিয়েছে, ‘তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হেয়ার স্ট্রিট থানার মামলার প্রেক্ষিতে তল্লাশি প্রক্রিয়া ও সিআইডি পদক্ষেপ নিয়ে একটি ফৌজদারি মামলা করেছেন। গত ৯ জুন সিআইডি তল্লাশি অভিযান চলে কালীঘাটের তৃণমূল কংগ্রেস অফিসে। সেদিন সমন পাঠানো সত্ত্বেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানী ভবনের সিআইডি দফতরে হাজিরা না দেওয়ায় কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূল কার্যালয়ে এসে পৌঁছয় সিআইডির ৩০ জনের একটি দল৷

এই তল্লাশি প্রক্রিয়া ও সিআইডি পদক্ষেপ, দুই ঘটনা একই বিষয়ের, হেয়ার স্ট্রিট থানায় বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডে বিধানসভা সচিবের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। যার প্রেক্ষিতে একটি ফৌজদারি মামলার শুনানি হয়েছে, নির্দেশ হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ বেঞ্চে। ওই আদালতের নজরে রয়েছে পুরো বিষয়টি।

সম্ভবত, সেই কারণেই তৃণমূলের করা এই মামলার ছেড়ে দিচ্ছে আদালত। প্রধান বিচারপতি কাছে মামলাটি পাঠানো হচ্ছে। নির্দেশে জানালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

কী হয়েছিল গত ৯ জুন

বিধানসভার বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডের তদন্তে গত ৯ জুন ভবানীপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে পৌঁছয় সিআইডি-র একটি ৩০ জনের দল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির একদম বিপরীতেই এই পার্টি অফিস। প্রথমবার এই অফিসে হানা দেয় সিআইডি। ঠিকানা ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, এই ঠিকানা থেকেই চিঠি লেখা হয় বিধানসভার স্পিকারকে, লেটার হেডেও এই ঠিকানাই ছিল বলে জানা যায়। তাই সেখানে গোয়েন্দারা অভিযান চালান বলে মনে করা হয়। ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা, ক্যামেরাও আসে পুলিশের তরফে। ছিল মহিলা পুলিশের বিরাট বাহিনীও।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

Kolkata High Court: ভবানীপুরের কার্যালয়ে সিআইডি, সেই নিয়ে করা তৃণমূলের মামলা ছাড়লেন হাইকোর্টের বিচারপতি, জানানো হল কারণ

Post Comment

You May Have Missed