মাত্র ১৫ টাকায় ‘সোনার ফসল’! ৪ বছরেই বদলে যাবে ভাগ্য, জেনে নিন আসল রহস্য
Last Updated:
মাত্র ১৫ টাকার বিনিয়োগে ৪ বছরের মধ্যে বড় লাভের সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এর আসল রহস্য কী? কীভাবে এই প্রকল্প বা বিনিয়োগ কাজ করে, কারা সুবিধা পাবেন এবং বিনিয়োগের আগে কী জানা জরুরি, তা বিস্তারিত জেনে নিন।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: মাত্র ১৫ টাকায় মিলছে ‘সোনার ফসল’ জানেন কী এই বীজের রহস্য? কেরল-অন্ধ্রেও বেজায় দাপট! উত্তরবঙ্গের এই বীজে কেন ঝুঁকছে দেশ? ৪ বছরেই ফলন, এক গাছে ২০ কেজি! মোহিতনগরের সুপারি বীজে বদলে যেতে পারে কৃষকের ভাগ্য। উত্তরবঙ্গের ছোট্ট এলাকা মোহিতনগর আজ দেশের কৃষি মানচিত্রে বড় চমক হয়ে উঠছে। এখানকার উদ্ভাবিত উন্নতমানের সুপারি বীজ এখন পাড়ি দিচ্ছে উড়িষ্যা, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে।
কৃষকদের কাছে এই বীজ হয়ে উঠছে নতুন আশার আলো। কেন্দ্রীয় রোপণ গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের মতে, মোহিতনগর জাতের সুপারি গাছের বিশেষত্বই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। সাধারণ সুপারি গাছের তুলনায় কম উচ্চতায় বেড়ে ওঠে এই গাছ, ফলে পরিচর্যা সহজ। আরও বড় বিষয় মাত্র চার বছরের মধ্যেই ফলন শুরু হয়।
একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ থেকে ২০ কেজিরও বেশি সুপারি উৎপাদন সম্ভব বলেও দাবি গবেষকদের। শুধু তাই নয়, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরলের মতো সুপারি চাষে উন্নত রাজ্যেও এই জাত ইতিমধ্যেই ভাল ফলন দিচ্ছে। ফলে দেশজুড়ে এর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিজ্ঞানী ডঃ অগ্রজ্যোতি ঘোষ জানিয়েছেন, মাত্র ১৫ টাকায় অনলাইনের মাধ্যমে কৃষকরা এই চারা সংগ্রহ করতে পারবেন।
ওয়েবসাইট, ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার করলে কুরিয়ারে বাড়িতেই পৌঁছে যাবে চারা। আরও একটি বড় সুবিধা এই জাতের সুপারি গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম হয়। ফলে চাষের ঝুঁকি কম এবং লাভের সম্ভাবনা বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রথম চার বছর গাছের ফাঁকা জায়গায় লেবু চাষ এবং পরে গোলমরিচের মতো আন্তঃফসল চাষ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব। ৯×৯ ফুট দূরত্বে চারা লাগালে এই সুবিধা আরও বাড়ে। মোহিতনগরের এই সুপারি বীজ কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের দিগন্ত, নতুন ভবিষ্যতের ইঙ্গিত হতে পারে তা কিন্তু বলাই যায়। এই নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে:
9474591370
Cpcrircm@yahoo.co.in
https://cpcri.gov.in/page/research_centre_mohitnagar
Jalpaiguri,Jalpaiguri,West Bengal



Post Comment