রহস্যের আড়ালে আসলে প্রতিশোধের গল্প! ছকভাঙা চরিত্রে অপরাজিতা আঢ্য
কলকাতা: আসছে নতুন সিনেমা, ‘নন্দিনী তোর জন্য’। সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে, অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy)-কে। ছবির পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন, সায়ন বিশ্বাস (Sayan Biswas)। সিনেমার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে, জিয়া রায়, দেবেশ রায়চৌধুরী, সঞ্জীব সরকার, দেবরাজ মুখোপাধ্যায়, দেবমাল্য গুপ্ত ও অন্যান্যদের। এক প্রভাবশালী পরিবার, এক শিক্ষক, শৈশবের ট্রমা আর এক প্রতিশোধের গল্প এই সিনেমা, ‘নন্দিনী তোর জন্য’।
কোন দিকে এগোয় সিনেমার গল্প?
মিতা, রাহুল, তুষার, টিনা এবং স্নেহা.. পাঁচজন স্কুলের বন্ধু। একসঙ্গে পড়াশোনা করত। তারপরে কেটে গিয়েছে বহু বছর। অনেক বছর পরে, স্কুল জীবনের আরেক বন্ধু, অভিষেকের বাড়িতে দেখা হয়ে যায় সবার। এই অভিষেকের বাবা ছিলেন, ওই স্কুলেরই শিক্ষক, নাম নৃপেণ। অত্যন্ত কড়া এই শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতেন। শৈশবে এই ৫ বন্ধুর এক সহপাঠী নন্দিনীর ওপর নৃপেণ মাস্টার মশাইয়ের চরম অত্যাচার এবং তার রহস্যময় আত্মহত্যার ঘটনাটি সকলের মনে আজও দগদগে ক্ষতের মতোই রয়ে গিয়েছে। ভুলতে পারেনি কেউই।
বহু বছর পরে এই পূনর্মিলনে এসে, রহস্যজনকভাবে একে একে খুন হয়, তুষার এবং মিতা। এরপরে সকলের সন্দেহ হয়, এটা শুধুমাত্র পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ার একটা আয়োজন নয়, এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে একটা ষড়যন্ত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে যে, নন্দিনী অর্থাৎ সেই মৃত ছাত্রীর বাবা বীরু, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই পরিকল্পনা করেছিলেন। এই বীরু আবার অভিষেক ও নৃপেণের বাড়িতে কাজ করতেন। স্কুলের সেই ভিতু মেয়ে স্নেহা আসলে নন্দিনীর হয়ে প্রতিশোধ নিতে বীরু কাকার সঙ্গে হাত মেলায়, এবং বাকিদের ক্রমাগত ব্ল্যাকমেল করে , এক জায়গায় আসতে বাধ্য করে। প্রকাশ্যে আসে যে, অভিষেক এবং তার মা পারমিতা দেবীও নন্দিনীর মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী ছিলেন এবং তারা নৃপেণের এই অনৈতিক ও ভয়াবহ কাজকে সমর্থন করতেন। গল্পের শেষ দিকে দেখা যায়, স্নেহা এবং বীরু কাকা মিলে অভিষেক ও তার পরিবারকে তাদের অতীতের পাপের মাশুল দিতে বাধ্য করে… গল্পের শেষে জানা যায়, টিনা আর রাহুলকেও জেলের ভেতরে বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Tollywood News: বড়পর্দায় জন আর দর্শনার নতুন জুটি! থাকছেন দোলন, অভিজিৎ ও!
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি



Post Comment