Success Story: ক্ষুরধার মস্তিষ্কে ৭০০ দাবাড়ুকে মাত করে ওড়ালেন তেরঙা, কঠিন লড়াইয়ে সেরার শিরোপা বাংলার ছেলের! পেলেন মোটা টাকার পুরস্কার

Success Story: ক্ষুরধার মস্তিষ্কে ৭০০ দাবাড়ুকে মাত করে ওড়ালেন তেরঙা, কঠিন লড়াইয়ে সেরার শিরোপা বাংলার ছেলের! পেলেন মোটা টাকার পুরস্কার

Last Updated:

East Medinipur Success Story: তমলুকের ছাত্র শঙ্খদীপ মাইতি আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্য অর্জন করে নজর কেড়েছে। একাধিক দেশের প্রতিযোগীদের হারিয়ে নিজের দক্ষতা ও একাগ্রতার পরিচয় দিয়েছে শঙ্খদীপ। ন’টি রাউন্ডে ধারাবাহিক ভাল পারফরম্যান্স করে শিরোপা জিতে নেয় সে। ট্রফির পাশাপাশি মোটা অঙ্কের পুরস্কারও পেয়েছে এই তরুণ দাবাড়ু।

+

ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে সেরা শিরোপা ছিনিয়ে আনল তমলুকের শঙ্খদীপ মাইতি

তমলুক, সৈকত শী: ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় নিজের কৃতিত্বের ছাপ রাখলেন শঙ্খদীপ মাইতি। দাবা খেলা শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা ও একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। ভারতবর্ষের প্রাচীন খেলাধুলোর মধ্যে অন্যতম দাবা খেলা। এই দাবা খেলার মাধ্যমেই ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা ও একাগ্রতা প্রকাশ পায়। কারণ ক্ষুরধার মস্তিষ্ক এবং ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় দাবা খেলায়। দাবা খেলায় নিজের প্রথার মস্তিষ্ক ও ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে সেরা শিরোপা ছিনিয়ে আনলেন তমলুকের শঙ্খদীপ মাইতি।

১৭তম কেআইআইটি ইন্টারন্যাশনাল দাবা প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্য অর্জন করলেন তমলুকের ছাত্র শঙ্খদীপ। প্রতিযোগিতার ক্যাটাগরি-বি বিভাগে ন’ রাউন্ড খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। ট্রফির পাশাপাশি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে এই প্রতিযোগিতা হয়। এই আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ, উগান্ডা-সহ মোট কুড়িটি দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। শুধু ক্যাটাগরি-বি বিভাগেই প্রায় ৭০০ জন দাবাড়ু অংশ নিয়েছিলেন। সেই কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সেরার শিরোপা জিতে নিয়েছেন শঙ্খদীপ।

বর্তমানে শঙ্খদীপ তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের ইংলিশ অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্র। ২০১৪ সালে মায়ের কাছেই প্রথম দাবা খেলায় হাতেখড়ি হয় তাঁর। এরপর একের পর এক প্রশিক্ষকের কাছে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন তিনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করেছে তিনি। শঙ্খদীপ জানিয়েছেন, এটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট ছিল। চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। গত দু’মাস ধরে এই প্রতিযোগিতার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ভবিষ্যতে দাবাকেই নিজের জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান শঙ্খদীপ।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

ছেলের এই সাফল্যে খুশি গোটা পরিবার। শঙ্খদীপের বাবা চিকিৎসক শংকর মাইতি জানান, এর আগেও থাইল্যান্ডের ফুকেট-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে শঙ্খদীপ। দেশের প্রায় ১৭টি রাজ্যে বিভিন্ন দাবা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একাধিক পুরস্কারও জিতেছে। তবে এই প্রতিযোগিতাই এখনও পর্যন্ত তার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। বিভিন্ন সময় বিদেশে দাবা খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছেন শঙ্খদীপ। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। আগামী দিনের শঙ্খদীপ নিজেকে দাবাড়ু হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করুক এটাই চাইব।” প্রসঙ্গত পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দাবা খেলার প্রসার বাড়ছে। একাধিক প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠেছে দাবা খেলাকে কেন্দ্র করে। সে জায়গায় শঙ্খদীপের এই সফলতা জেলার দাবার মানকে আরও বাড়িয়ে তুলল।

বাংলা খবর/ খবর/খেলা/

Success Story: ক্ষুরধার মস্তিষ্কে ৭০০ দাবাড়ুকে মাত করে ওড়ালেন তেরঙা, কঠিন লড়াইয়ে সেরার শিরোপা বাংলার ছেলের! পেলেন মোটা টাকার পুরস্কার

Post Comment

You May Have Missed