‘নো পার্কিংয়ে গাড়ি নিয়ে কড়া অবস্থান কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের’, কী বলছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ?

‘নো পার্কিংয়ে গাড়ি নিয়ে কড়া অবস্থান কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের’, কী বলছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ?

কলকাতা: সামরিক সুবিধার জন্য তো রাস্তাঘাট চাই। যাতায়াত ব্যবস্থা প্রধান। তার সঙ্গে উন্নয়ন যুক্ত আছে। সব কিছু ঠিক হবে। ধীরে ধীরে সমস্যা দূর করা হবে। প্রতিক্রিয়া পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের। পার্কিং ইস্যুতে কী প্রতিক্রিয়া দিলীপের ?

আরও পড়ুন, BSF-কে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, কাঁটাতারের জন্য জমি দেখতে বনগাঁয় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া

নো পার্কিংয়ের ইস্যুতে এদিন দিলীপের প্রতিক্রিয়া   ‘নো পার্কিংয়ে গাড়ি নিয়ে কড়া অবস্থান কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের। যেখানে পার্কিং আছে সরকার সেখানেই পার্কিং করে দেবে। এখন রাস্তার মাঝখানে যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং করাচ্ছে। টোটো অটো দাঁড়িয়ে পড়ছে, কোন পার্কিং নিয়ম মানা হয় না। অনিয়মভাবে পয়সা তোলা হয়। কোথাও অনিয়মভাবে পার্কিং করা যাবে না’, মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।এদিন তিনি আরও বলেন,’মানুষের সুরক্ষা ছিল না, কেন্দ্র থেকে বাহিনী নিয়ে এসে নিরাপত্তা দিতে হত। পুলিশকে মুক্ত করে পুলিশের কাজ করতে দেওয়া হবে। কারও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নয়। এটা খুব দুর্ভাগ্যের বিষয় অপরাধীদের সুরক্ষা দেয় পুলিশ।এটা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হবে।’

মূলত, বেআইনি পার্কিং রুখতেও কড়া পদক্ষেপের পথে নতুন সরকার। পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী  অগ্নিমিত্রা পাল বলেছেন, আমরা আজকেই নোটিস দিচ্ছি, রাস্তার দুপাশে পার্কিং অবৈধভাবে রাখা হয়। সারা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে যেদিকে পার্কিং সেখানেই গাড়ি থাকবে। যেদিকে পার্কিং করার কথা নয় সেদিকে কোনও গাড়ি থাকবে না। তাতে মানুষের সুবিধা হবে। মানুষের যাতায়ত করতে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। এই ১৫টা বছর আমরা দেখেছি সুতরাং এই নির্দেশ আমাদের দফতর থেকে দেওয়া হয়েছে। দেড় সপ্তাহের নতুন সরকার। ক্ষমতায় আসার পর একদিকে সামাজিক প্রকল্পগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া, অন্যদিকে, বেআইনি কারবার রুখতে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে বিজেপি সরকার।

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, সামরিক সুবিধার জন্য তো রাস্তাঘাট চাই। রাস্তাঘাট যাওবা আছে, সেগুলি ঠিকঠাক হয় না। যাতায়াত ব্যবস্থা প্রধান । উন্নয়ন ওর সঙ্গে যুক্ত আছে। সমস্ত কিছু শোধরানো হবে। পশ্চিমবঙ্গের রাস্তাঘাট যেটুকু কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে, সেটাই ঠিক আছে, বাকি সব চলার অযোগ্য আছে। এবার যেটা সম্ভব সেটা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে দেব। অনেক কিছু রাস্তার ক্যারেক্টর চেঞ্জ করা হয়েছে। যেমন মদের দোকান করতে হবে বলে, …হাইওয়ে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ..এই ধরনের আইনের ফাঁক দিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে, যেটা সাধারণ মানুষের ও দেশের হিতের বিপরীত, সেগুলি সব ঠিক হবে। ‘

Previous post

Higher Secondary : ১৬ বার অস্ত্রোপচার! ক্যান্সার কেড়ে নিয়েছে ডান হাত, বাঁ হাত দিয়েই উচ্চমাধ্যমিকে বাজিমাত নদিয়ার যুবকের

Next post

বছর খানেক ধরে সম্পর্কে রয়েছেন তিলক-শ্রীলীলা! শ্রীঘই বাঁধবেন গাঁটছড়া?

Post Comment

You May Have Missed