Tamluk Bargabhima Temple: ভক্তদের জন্য সুখবর! তমলুকের সতীপীঠ বর্গভীমা মন্দিরে ফের শুরু হল ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা

Tamluk Bargabhima Temple: ভক্তদের জন্য সুখবর! তমলুকের সতীপীঠ বর্গভীমা মন্দিরে ফের শুরু হল ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা

Last Updated:

Tamluk Bargabhima Temple: গ্যাসের সংকটে ২১ মার্চ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ভোগের প্রসাদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। মে মাস থেকে মন্দিরে বসে সাধারণ মানুষের জন্য ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা আবার শুরু হল।

+

News18

তমলুক, সৈকত শী: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অধিষ্ঠাত্রীদেবী বর্গভীমা। ৫১ সতীপীঠের এক পীঠ হলেন দেবী বর্গভীমা। সারা বছর প্রতিদিন উগ্রতারা রূপে পূজিত হন দেবী। এ ছাড়াও বছরের বিশেষ বিশেষ তিথিতে বিশেষ রূপে দেবী মাকে পুজো করা হয়। দেবী মায়ের ভক্তদের জন্য ভোগপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মে মাসে নতুন করে ফের সেটা শুরু হল। এলপিজি-সঙ্কটে ২১ মার্চ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ভোগের প্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। মে মাস থেকে মন্দিরে বসে সাধারণ মানুষের জন্য ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা আবার শুরু হল।

দেবী বর্গভীমা মায়ের ভোগ রান্না হয় গ্যাসে। ভোগ রান্নার জন্য মূল প্রয়োজন গ্যাসের। কিন্তু বর্তমানে গ্যাসের সঙ্কটে চিন্তায় পড়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তাই এবার বিকল্প ব্যবস্থা নিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। দেবী বর্গভীমার মন্দিরে প্রতিদিন শত শত ভক্ত অন্নপ্রসাদ গ্রহণ করেন। দীর্ঘ দিনের প্রথা মেনে আগে অন্যভাবে রান্না হলেও, প্রায় দু’বছর আগে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের (FSSAI) নিয়মকানুন মেনে মন্দির চত্বরে আমূল পরিবর্তন আনা হয়। সরকারি নির্দেশ পালন করতে গিয়ে কাঠ বা কয়লার চুল্লির পরিবর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের মাধ্যমে ভোগ রান্নার ব্যবস্থা করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ রক্ষায় এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ নিয়ে চাহিদা বাড়তে থাকায় মন্দির কর্তৃপক্ষ আবার মন্দিরে ভোগ বিতরণের ব্যবস্থা চালু করেছে।

এ বিষয়ে মন্দির পরিচালন কমিটির সম্পাদক শিবাজি অধিকারী বলেন, ‘‘যাঁরা ভোগের জন্য আগাম বুকিং করেছিলেন, তাঁদের আমরা ফোন করে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল করছিলাম। কারণ আমরা নিরুপায়। বাণিজ্যিক গ্যাসের সঙ্কটে সাধারণ মানুষের মানত করা ভোগ বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে দূরদূরান্তের ভক্তদের কথা মাথায় রেখে মে মাস থেকেই মন্দিরে বসে ভক্ত ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা আবার শুরু করা হল। ” কলকাতা থেকে আসা এক ভক্ত জানান, *ভক্তদের জন্য পুনরায় মন্দিরে বসে খাওয়ার ভোগ ব্যবস্থা চালু হওয়ায় আমরা খুশি।”

Previous post

Governor:”হিংসার বিষের কোনও জায়গা নেই, আমরা দেখছি পরিবর্তন হচ্ছে”, প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

Next post

Agriculture News: ৮ হাজার টাকা বিনিয়োগে নিট লাভ ৫০ হাজার! ঢেঁড়স চাষে কীভাবে দু’হাত ভরে কামাচ্ছেন চাষিরা? জানুন

Post Comment

You May Have Missed