ভোট না দিলে যদি নাম কাটা যায়.. প্রথম দফা নির্বাচনের আগে দলে দলে বাড়ি ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা

ভোট না দিলে যদি নাম কাটা যায়.. প্রথম দফা নির্বাচনের আগে দলে দলে বাড়ি ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা

Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

  • ভোট দিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাবেন তাঁরা।

অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: সামনেই নির্বাচন, তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচার সেরে নিচ্ছেন প্রার্থীরা। তবে ভোটার? তাঁদের ও তো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে! এমন অনেক মানুষ রয়েছেন, যাঁরা কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে, বিভিন্ন জায়গায় যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য ফিরছে রাজ্যে! ২৩ তারিখ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে অংশ নিতেই রাজ্যে ফিরছেন রাজ্যের বাইরে কাজ করা অনেক মানুষ! স্টেশন চত্বরে ভিড়ের ছবি। 

প্রথম দফার নির্বাচনের আগে, সাজো সাজো রব!

রাজ্যে ২৩ তারিখ প্রথম দফা নির্বাচন। তার আগে, রাজ্যে ফিরছেন প্রচুর পরিযায়ী শ্রমিক। অন্যান্য রাজ্যে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই এই সময়টা দেশে ফিরে আসেন। তবে তাঁদের মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাটাই সবচেয়ে বেশি। ট্রেনের মাধ্যমেই রাজ্যে ফিরছেন তাঁরা, সেই কারণেই স্টেশন চত্বরে ধরা পড়ছে ভিড়ের ছবি। তবে শ্রমিকেরা জানাচ্ছেন, এই রাজ্যে মজুরি ভীষণ সামান্য। সেই কারণেই তাঁরা নির্বাচনের পরে আর থাকতে পারবেন না। নির্বাচনে অংশ নিয়ে, অর্থাৎ ভোট দিয়েই তাঁরা ফিরে যাবেন কাজের জায়গায়। 

বাড়ি ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা

ব্যাঙ্গালোরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করা শত শত পরিযায়ী শ্রমিকরা সোমবার থেকেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। ভোট দেবার তাগিদ তো রয়েছেই, পাশাপাশি কাজের অছিলায়, যদি ভোট না দিতে পারেন, তাহলে নাম বাতিল হয়ে যাওয়ার একটা ভয় তো রয়েছেন। সেই ভয়েই অনেকে ভোটে অংশ নিতে আসছেন। সদ্য চালু হওয়া ব্যাঙ্গালোর থেকে আলিপুরদুয়ার জংশন, অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ফিরতেই ট্রেন থেকে উপচে পড়ছে ফেরত আসা পরিযায়ীদের ভিড়। স্টেশনের বাইরে কার্যত দাঁড়াবার যায়গা নেই। যাঁরা আসছেন, তাঁদের বেশিরভাগের বাড়িই আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায়। প্রত্যেকেই বাড়ি ফেরার জন্য ভীষণ ব্যস্ত।

কেউ পরিবারকে নিয়েই কাজের সন্ধানে বাইরে চলে গিয়েছিলেন।  কেউ আবার, সহকর্মীদের সঙ্গেই দলে দলে ফিরছেন বাড়িতে। পরিবার থাকে এখানেই। কেউ কোচবিহার জেলার কারও বাড়ি আবার আলিপুরদুয়ারে। কাজ নেই এখানে, থাকলেও মজুরি খুবই কম। বাড়ি ছেড়ে ভীন রাজ্যে যাওয়া কষ্টকর হলেও, সেখানে যে আর্থিক স্বচ্ছ্বলতা রয়েছে, তা বলছেন পরিযায়ীরা। অনেক মহিলা আবার ভীন রাজ্যে গিয়ে পরিচারিকার কাজ করে, সেখানেই সরকারি বিদ্যালয়ে সন্তানকে পড়ান বলে জানান।  ভোট দিয়েই তাঁরা আবার ফিরে যাবেন নিজ নিজ কাজে।

Post Comment

You May Have Missed