‘এখন পরিবর্তন হবে না তো আর কবে?’, সজল ঘোষের প্রচারে ডক্টর নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়
West Bengal Assembly Election 2026: এবার বরানগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের প্রচারে চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার বিজেপির প্রচার মঞ্চেও চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সজল ঘোষের হয়ে প্রচার করতে এসে মঞ্চে দাঁড়িয়ে চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বামপন্থী মানসিকতা আর বামপন্থা, দুটো কিন্তু এক জিনিস নয়। আমি মনে করি পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। এখন পরিবর্তন হবে না তো, আর কবে হবে? ধরুন একটি বাচ্চা ক্লাস সেভেন থেকে এইটে উঠবে। তাকে কী ভিত্তিতে পাশ করাবেন? সে অঙ্কে কত পেয়েছে, ভূগোলে কত পেয়েছে তার ভিত্তিতে। তাহলে সরকারকেও আমরা পাশ-ফেল করাবো গত ১৫ বছরে তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কত নম্বর পেয়েছে তার ভিত্তিতে। আমি তো গত ১৫ বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে শূন্য দেব, গোল্লা।’ এবার বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রে আসন্ন নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সায়নদীপ মিত্র।
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে পর্যন্ত অনেকেই জানতেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্বঘোষিত বামপন্থী। যদিও মোদির ব্রিগেডের সভার কিছুদিন আগে চিকিৎসকের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা। তারপর হঠাৎ করেই চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যায় মোদির ব্রিগেডে। ডাক্তারবাবু এবার বিজেপি’র প্রার্থী হবেন কিনা, তা নিয়েও শুরু হয় জল্পনা। সেই সময় এবিপি আনন্দকে চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার মনে হয় বাংলার প্রতিটা মানুষ এই সময় পরিবর্তন চায়। দুর্নীতি থেকে পরিবর্তন চায়, গত ১৫ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে পরিবর্তন চায়। আমাদের আর্থিক অবস্থা যেভাবে শেষ করে দেওয়া হয়েছে সেখানে পরিবর্তন চায় মানুষ।’
চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এবিপি আনন্দের প্রশ্ন ছিল- এর আগে আপনাকে দেখা গিয়েছিল বামপন্থীদের মিছিলে, আজকে কি এই প্রথম বিজেপিতে আসা? উত্তরে চিকিৎসক বলেন, ‘একদম, দেখুন, এটা আমি মনের তাগিদেই এসেছি। অবশ্যই আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় এখন ডান বাম এসব ভাবলে চলবে না। হয় ভোট ফর টিএমসি বা নো ভোট ফর টিএমসি। বাংলা পিছিয়েই চলেছে। প্রত্যেক সফল বাঙালি এখন পরিযায়ী শ্রমিক। সুতরাং যারা পরিবর্তন আনতে পারবে আমি সকলকে অনুরোধ করব দল মত নির্বিশেষে আপনারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিন।’



Post Comment