তিলজলা রোডে শ্যুটআউট কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ সলমন-সহ ২
আবির দত্ত, কলকাতা : তিলজলা রোডে শ্যুটআউট কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ সলমন-সহ ২। কলকাতা থেকে পালানোর পথে গ্রেফতার। ধৃত সলমনের কাছ থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র। তিলজলা রোডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত সলমন ও তাঁর বাবা। খাস কলকাতায় শ্যুটআউট। তিলজলায় গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে এক যুবকের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল মহম্মদ সলমন ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ফের শহরের নিরাপত্তা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। অবশেষে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে পালানোর পরিকল্পনা ছিল মহম্মদ সলমনের। সেই খবর পেয়ে যায় পুলিশ। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। অবশেষে পাকড়াও হয় সলমন। ঘটনার পর থেকেই পলাতল ছিল এই অভিযুক্ত।
বেনিয়াপুকুর থানা গ্রেফতার করেছে মহম্মদ সলমন এবং তার বাবা মহম্মদ আনোয়ারকে। ধৃতদের থেকে যে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেটি তিলজলা শ্যুটআউটে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। ধৃতদের আজ শিয়ালদা আদালতে পেশ করা হবে এবং তাদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করতে পারেন তদন্তকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিলজলার যে এলাকায় গুলি চলেছিল, সেখানে ও সংলগ্ন এলাকায় অনেকদিন ধরেই সিসিটিভি কাজ করে না। এর পিছনেও রয়েছে সলমন ও তার দলবল, অভিযোগ স্থানীয়দের। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। আশপাশের এলাকায় চলছিল তল্লাশি। মহম্মদ সলমন কলকাতা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছে জানতে পেরে আরও তৎপর হয় পুলিশ। কলকাতার আশপাশে কোথাও গা-ঢাকা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তর। এই ঘটনায় আরও অনেকে যুক্ত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাকিদের খোঁজ মিলবে বলে অনুমান পুলিশের। মোবাইল ট্র্যাক করে ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তখনই টের পাওয়া যায় যে কলকাতা থেকে পালানোর পরিকল্পনা করছিল অভিযুক্ত।
হাওড়ায় প্রোমোটারকে গুলি করে খুন
অন্যদিকে, হাওড়ায় ঘটেছে হাড়হিম করা এক ঘটনা। হাওড়ার গোলাবাড়ি পিলখানা এলাকায় এক প্রোমোটারকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। জনবহুল রাস্তায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় ওই প্রোমোটারকে। পায়ে হেঁটে এসে আচমকাই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে প্রথমে প্রোমোটারের মাথায় গুলি করে এক দুষ্কৃতী। এরপর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে, তাঁর বুকে গুলি করা হয়। মৃত্যু হয়েছে ২৭ বছরের সফিক খানের। প্রকাশ্যে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে যাকে গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে তার নাম হারুন খান। পুলিশ সূত্রে খবর, এই হারুনের সঙ্গে ব্যবসায়িক শত্রুতা ছিল হারুনের। তার জেরেই খুন হতে হয়েছে সফিককে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। অভিযুক্ত হারুনের নামেও আগেও অনেক অভিযোগ ছিল বলে খবর পুলিশ সূত্রে। মৃত প্রোমোটারের পরিবারের দাবি, তাদের ছেলেকে খুনের পিছনে কোনও বড় মাথা রয়েছে। তাদের আরও অভিযোগ, সফিকের কাছে অভিযুক্ত হারুন এবং আরেকজন জন যার নাম রোহিত, তারা মোটা টাকা তোলা চেয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে সফিককে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।



Post Comment