কঙ্গনার উপর ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা ক্ষমা চাইলেন হৃতিকের কাছে, অভিনেতা বললেন…

কঙ্গনার উপর ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা ক্ষমা চাইলেন হৃতিকের কাছে, অভিনেতা বললেন…

মুম্বই: NEET আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপি-র তারকা সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। সেই আবহেই বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করেছেন অনেকে। ব্য়ক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কঙ্গনা এবং হৃতিকের মধ্যে যখন টানাপোড়েন চলছিল, সেই সময় নায়িকার পক্ষ নিয়েছিলেন অনেকেই। এখন ভুল স্বীকার করে হৃতিকের কাছে ক্ষমা চাইছেন তাঁরা। তাতে এবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেতা। (Hrithik Roshan)

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় হৃতিকের কাছে ক্ষমা চান ইনফ্লুয়েন্সার ফ্রেডি বার্ডি। সোশ্য়াল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত সকলের’। তাঁর সেই পোস্টের নীচেই নিজের অবস্থান জানান হৃতিক। বুঝিয়ে দেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করে তাঁর প্রতি সমর্থনের যে ঢেউ লক্ষ্য় করা যাচ্ছে, তাতে মোটেই গা ভাসাচ্ছেন না তিনি। বরং তিনি ‘সত্যে’র পক্ষে রয়েছেন।(Kangana Ranaut)

আরও পড়ুন: ক্রকস ছাড়া চলে না? পায়ের ক্ষতি করছেন, নিজেরও, শিশুরও, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

ফ্রেডির পোস্টের জবাবে হৃতিক লেখেন, ‘বন্ধু, শুধুমাত্র ‘B’কে পছন্দ করো না বলে ‘A’-র পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজকে গ্রাস করে থাকা বৃহত্তর সমস্যারই একটি অংশ। আমি এমন একটা সময়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকব- যেখানে সঠিক প্রেক্ষাপট থাকবে এবং সবকিছু হবে তথ্যনির্ভর। সেটাই সঙ্গত হবে। আমি অপেক্ষা করব। তবে এসব নিয়ে আর কারই বা মাথাব্যথা আছে, তাই না?’

কঙ্গনা এবং হৃতিককে ঘিরে বিতর্ক চরমে ওঠে ২০১৬ সালে। হৃতিকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যে গুঞ্জন ছিল, তাতে কার্যত সিলমোহর দেন কঙ্গনা। হৃতিক তাঁকে একটি ছবি থেকে বাদ দিয়েছেন বলে খবর শোনা যায়। সেই নিয়ে প্রশ্ন করলে হৃতিককে ‘প্রাক্তন’ বলে উল্লেখ করেন কঙ্গনা। জবাবে হৃতিক জানান, কঙ্গনার থেকে পোপের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: লক্ষ লক্ষ বই ধ্বংস করছে AI সংস্থাগুলি, প্রযুক্তির পিছনে দৌড়তে গিয়ে ক্ষতি হচ্ছে বিরাট

শুধু সম্পর্কের কথা অস্বীকারই নয়, পরিস্থিতি এমন হয় যে আইনি পদক্ষেপ করেন হৃতিক। ‘Stalking’, ‘Harassment’-এর অভিযোগ জায়ের করেন। মামলা করেন মানহানিরও। সেই নিয়ে তদন্ত শুরু হলে নিজের ল্যাপটপ-সহ পাসপোর্ট পর্যন্ত জমা করেন হৃতিক। কঙ্গনা যদিও ল্যাপটপ, আইপ্যাড জমা করেননি। হৃতিকের তরফে দাবি করা হয়, ইমেল মারফত তাঁর সঙ্গে কথোপকথনের যে দাবি তুলেছেন কঙ্গনা, তা তিনিই পাঠানইনি। হতে পারে অন্য কেউ তাঁর নাম করে কঙ্গনাকে ওই সব ইমেল পাঠিয়েছেন। গোটাটাই কঙ্গনার কল্পনা বলেও দাবি করেন তিনি। পাল্টা একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেন, ২০১৪ সালে তাঁকে প্যারিসে প্রোপোজও করেছিলেন হৃতিক। 

সেই থেকে আরব সাগরের বুক দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। ওই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। তার মধ্যেই NEET আন্দোলনে ছাত্রছাত্রীদের যেভাবে আক্রমণ করেছেন কঙ্গনা, তাতে পুরনো প্রসঙ্গ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সেই সময় কঙ্গনাকে বিশ্বাস করা ঠিক হয়নি বলে মনে করছেন অনেকেই। আর তাতেই হৃতিকের কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করেছেন তাঁরা।



Previous post

Truck Fire: পেট্রোল পাম্পের পাশেই লরি থেকে দাউদাউ করে আগুন, বিদ্যুৎবাহী তার থেকে বিপর্যয়! গুরুতর আহত চালক

Next post

Hamim Mondal – Arpita Sarkar: লক্ষ্য জেন -জি নেটিজেনদের মগজধোলাই? কে এই শাহজাদ ভাট্টি? হামিম-অর্পিতা গ্রেফতারির পরে কোন পথে তদন্ত

Post Comment

You May Have Missed