‘রাজনৈতিক মেরুকরণের আরেকটি হাতিয়ার…?’ UCC নিয়ে প্রশ্ন তুলল মমতার তৃণমূল

‘রাজনৈতিক মেরুকরণের আরেকটি হাতিয়ার…?’ UCC নিয়ে প্রশ্ন তুলল মমতার তৃণমূল

Last Updated:

What TMC Says On UCC: গুজরাত, অসমের পর এবার বাংলাতেও? বৃহস্পতিবার বিকেলে বিধানসভার বিএ কমিটির বৈঠকেই আগামী সোমবার বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷

UCC নিয়ে প্রশ্ন তুলল মমতার তৃণমূল
UCC নিয়ে প্রশ্ন তুলল মমতার তৃণমূল

কলকাতা: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালীঘাট থেকে একটি পোস্ট দিয়ে জানানো হয়েছে, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিজেপির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমরা উদ্বিগ্ন। ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) কি সত্যিই সকলের সম্মতি, সাংবিধানিক নৈতিকতা এবং নাগরিকদের কল্যাণের লক্ষ্যে প্রকৃত সদিচ্ছার ভিত্তিতে হচ্ছে, নাকি এটিকে রাজনৈতিক মেরুকরণের আরেকটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে – সেটাই মূল প্রশ্ন।”

তৃণমূল কংগ্রেস তাদের বার্তায় লিখেছে, “ভারতের শক্তি নিহিত রয়েছে সমতা ও বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মানকে একসঙ্গে ধারণ করার মধ্যে। কোনও সংস্কার চাপিয়ে দেওয়া যায় না, তা গড়ে তুলতে হয় সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে। আমরা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সমতা, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক আদর্শকে সমর্থন করি।”

তৃণমূল নেতৃত্ব এই বার্তায় আরও জানিয়েছে, “কোনও ব্যক্তিগত আইনেই বৈষম্যকে স্থায়ী রূপ দেওয়া উচিত নয়। আমরা উদ্বিগ্ন বিজেপির উদ্দেশ্য, বিজেপির এজেন্ডা এবং বিজেপির রাজনীতি নিয়ে। বিজেপি কি আদৌ আন্তরিকভাবে এই আদর্শগুলি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে, নাকি সামাজিক বিভাজন ও সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ আরও তীব্র করার লক্ষ্যে ইউসিসি-কে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।”

সংবেদনশীল বিষয়গুলিকে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য আগেও ব্যবহার করেছে বিজেপি। ইউসিসি নিয়ে ওদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিজেপি এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট আশ্বাস দেয়নি। তাই আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ বিভিন্ন দুর্বল ও প্রান্তিক গোষ্ঠী এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে আরও বিস্তর পরামর্শ ও আলোচনা জরুরি।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদে (Directive Principles of State Policy) সমগ্র ভারত জুড়ে একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার নির্দেশিকা প্রদান করা হয়েছে, যদিও এটি আইনত বাধ্যতামূলক নয়। এর উদ্দেশ্য, সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা, লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এবং আইনি প্রক্রিয়া সহজ করা। উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং অসমের মতো বেশ কয়েকটি রাজ্যে ইতিমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা এ-সংক্রান্ত নীতি কার্যকর ও প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এবার কি বাংলায় চালু হতে চলেছে UCC ?

Previous post

স্বাস্থ্য পরিষেবায় দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আদানি গ্রুপের হাত ধরে আসছে ‘আদানি হেলথ সিটি’

Next post

গ্রামগঞ্জের সুপ্ত প্রতিভা দেখাবে ব্যবসার নতুন দিশা, আদানির ‘বন্দে ভারতম’ মিশন বদলাতে চলেছে দেশকে

Post Comment

You May Have Missed