ভোটের মুখে ফের কলকাতায় অস্ত্র উদ্ধার, STF-এর হাতে আবারও গ্রেফতার বিহারের বাসিন্দা
কলকাতা : ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। পুরোপুরি আর ২ দিনও বাকি নেই। তার আগে কলকাতায় উদ্ধার হল গুলি। অস্ত্র। গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে। জানা গিয়েছে, ভোটের মুখে চিৎপুরে অস্ত্র, গুলি-সহ গ্রেফতার হয়েছে একজন। চিৎপুরে কলকাতা পুলিশের STF-এর অভিযান চলাকালীন মিলেছে সাফল্য। ভোটের মুখেই কলকাতায় উদ্ধার ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রচুর গুলি। সব সমেত বিহারের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। জানা গিয়েছে, ধৃত শামিম আলম বিহারের নওয়াদার বাসিন্দা।
আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ৭ জেলার ১৪২টি আসনে সেদিন ভোট গ্রহণ হবে। তার আগে এভাবে শহর কলকাতায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকে কলকাতার বড়বাজারের কাছে স্ট্র্যান্ড রোডে অভিযান চালিয়েছিল এসটিএফ। সেখানে একটি সুলভ শৌচালয় থেকে অস্ত্র সমেত গ্রেফতার করা হয় এক ব্যক্তিকে। ওই ব্যক্তিও বিহারের বাসিন্দা ছিল বলেই জানা যায়।
কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স অর্থাৎ STF- এর জালে পাকড়াও হয় বিহারের নালন্দার মহম্মদ ইউসুফ। স্ট্র্যান্ড রোডের একটি সুলভ শৌচালয় থেকে অস্ত্র সমেত এই ব্যক্তিকেই গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ ইউসুফের কাছ থেকে তল্লাশি করে পাওয়া যায় পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন। ভোটের আগে এভাবে খাস কলকাতায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল সেই সময়েও। এসটিএফ সূত্রে খবর, ধৃতের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছিল ৩টি দেশি পিস্তল, ২টি 7MM পিস্তল। এছাড়াও বাজেয়াপ্ত করা হয় ৪টি ম্যাগাজিন, ১৮টি 8MM কার্তুজ, ২২টি 7.6MM কার্তুজ।
শহর কলকাতায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা নতুন নয়। আর এই ধরনের ঘটনায় বিহারের বাসিন্দাদের গ্রেফতারির ঘটনাও এই প্রথম নয়। কলকাতায় অস্ত্র উদ্ধারের সঙ্গে যে বিহার যোগ রয়েছে, তা এর আগেও বহুবার স্পষ্ট হয়েছে কলকাতা পুলিশের একাধিক অভিযানে। তবে এবার ভোটের আগে শহরে অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় একটা বাড়তি চিন্তা থাকছেই।
দ্বিতীয় দফায় মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। মোটের ওপর প্রথম দফা মিটেছে নির্বিঘ্নেই। এবার দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গে ভোট শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর চ্যালেঞ্জ। জানা গিয়েছে, ভোটের ময়দানে দ্বিতীয় দফায় মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকতে চলেছে। এর পাশাপাশি নজরদারি চালাবেন ১৪২ জন জেনারেল অবজার্ভার, ৯৫ জন পুলিশ অবজার্ভার।



Post Comment