প্রথম দফায় ভোট নেই, তবু আজ থেকেই কলকাতায় টানা বন্ধ মদের দোকান! কমিশনের কড়াকড়িতে সুরাপ্রেমীদের মাথায় হাত
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, এবং গণনা অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে। এই সূচিকে সামনে রেখে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রতিটি দফার ভোটের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি ও পরিবেশন নিষিদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ ভোটের আগের দুই দিন থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই মদ বিক্রি, পরিবেশন বা সরবরাহ করা যাবে না।
এই নিষেধাজ্ঞা শুধু মদের দোকানেই সীমাবদ্ধ নয়। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বার, ক্লাব—সব ধরনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানেও একই নিয়ম কার্যকর থাকবে। এমনকি যেসব জায়গায় বৈধ লাইসেন্স রয়েছে, সেখানেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মদ পরিবেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু ভোটের দিনই নয়, গণনার দিন ৪ মে-তেও ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সেদিনও রাজ্যের কোথাও মদ বিক্রি বা পরিবেশন করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে মদ মজুত, পাচার বা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল থেকে শুরু করে ফৌজদারি মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রথম দফায় ভোট নেই, তবু আজ থেকেই কলকাতায় টানা বন্ধ মদের দোকান! কমিশনের কড়াকড়িতে সুরাপ্রেমীদের মাথায় হাত
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্যজুড়ে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। পুলিশ ও আবগারি দফতর যৌথভাবে অভিযান চালাবে, যাতে কোনওভাবেই নিয়ম ভাঙা না হয়। নির্বাচন ঘিরে যাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি দফার ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগের ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি, বিতরণ বা পরিবেশন নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা শুধু মদের দোকানেই সীমাবদ্ধ নয়—হোটেল, রেস্তোরাঁ, বার, ক্লাব বা যে কোনও সরকারি-বেসরকারি জায়গাতেও তা প্রযোজ্য হবে।
শুধু বিক্রি বা পরিবেশন নয়, ব্যক্তিগত স্তরেও মদ মজুতের উপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে বলা হয়েছে। অবৈধভাবে মদ মজুত বা সরবরাহের বিরুদ্ধে কড়া নজরদারি চালানো হবে এবং সংশ্লিষ্ট আবগারি আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। আইন লঙ্ঘন করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।



Post Comment