দ্বিতীয় দফার আগে ভয়াবহ অশান্তি রাজ্যে, ছাড়া হল না এবার অ্যাম্বুল্যান্সকেও !
সমীরণ পাল, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু ভট্টাচার্য, বিটন চক্রবর্তী, কলকাতা: দোরগড়ায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। আর তার আগে জেলায় জেলায় অশান্তির ছবি প্রকাশ্যে। হামলা, ভাঙচুর থেকে শুরু করে মারধরের অভিযোগ উঠে আসছে।
আরও পড়ুন, ‘ভয়ঙ্কর খেলব ৪ তারিখ, মনে থাকে যেন…’ ! ভিডিওতে ডায়মন্ড হারবারের ভোটারদের হুমকি বাইক বাহিনীর
দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে উত্তপ্ত দেগঙ্গা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলল আইএসএফ। আইএসএফের অভিযোগ, শনিবার রাতে নৌশাদ সিদ্দিকির রোড শোয়ের পর তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালায় তাঁদের কর্মীদের উপর।এমনকী নৌশাদ সিদ্দিকির উপরেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাতে টায়ার জ্বালিয়ে বেড়াচাঁপা-হাড়োয়া রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে আইএসএফ কর্মীরা। যদিও আইএসএফের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
এবার হলদিয়ায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। প্রথম দফা ভোটে বিজেপির হয়ে পতাকা টাঙানো থেকে শুরু করে প্রচার করার জের, হলদিয়ায় আক্রান্ত কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হলদিয়ার বিজেপি প্রার্থী প্রদীপ বিজলির অভিযোগ, গতকাল সন্ধেবেলায় দুর্গাচক থানার ঝিকুখালি এলাকায় বিজেপির কয়েকজন কর্মীকে তৃণমূলের লোকজন মারধর করে। সেখান থেকে উদ্ধার করে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে তাদের নিয়ে আসা হয়। একজনকে ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে।
অশান্তি কোচবিহারেও। শনিবার গভীর রাতে নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ৩ নং মন্ডল সম্পাদক দিপক দাসের দোকান ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে,অভিযোগ বেশ কিছুদিন থেকে তাকে দোকান বন্ধ করার জন্য শাসক দলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল রাতে সেই দোকান ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাস্থলের দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূল।
ভোট মিটতেই হামলা হয় এবার রামপুরহাটে। ১৪ নং ওয়ার্ডে প্রাক্তন বিজেপির বুথ সভাপতি দেবাশীষ মন্ডল কে মারধর করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকি তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তার অ্যাম্বুল্যান্স গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়, আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়। বাইরে থেকে ইঁট ছুড়ে ভেঙে দেওয়া হয় বাড়ির জানালার কাঁচ। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে বীরভূমের রামপুরহাটে ১৪ নং ওয়ার্ডে।
অভিযোগ, বিজেপি কর্মী দেবাশীষ মন্ডল কর্মীদের সাথে বৈঠক করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হাঠাৎ করে লোডশেডিং হয়ে যায়। দুইজন বাইকে করে এসে পেছন থেকে তার পিঠে রডের বাড়ি মারে। এর পরে সে পরে গেলে হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ চলে যেতেই দ্বিতীয় হামলা হয়। এবার তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সের সামনের কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়। অভিযোগ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়।



Post Comment