‘এ করেনি এমন কোনও দুষ্কর্ম নেই’, বরানগরে গ্রেফাতার TMC কাউন্সিলার, কী বলছেন বিধায়ক সজল ঘোষ
বরানগর : এক মহিলার বাড়িতে জোর করে ভাড়াটে ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ! এমনকী নিজেই ওই ভাড়াটে ঢুকিয়ে তারপর আবার সালিশি সভা বসিয়ে মিটমাট করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগ ! খাস কলকাতায় ঘটেছে এমনই কাণ্ড। আর তার জেরেই গ্রেফতার হয়েছেন বরানগরের তৃণমূল কাউন্সিলার, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তনু মজুমদার ওরফে মেজ। তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে এই তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে।
‘এই বিল্ডিংয়ের কোন প্ল্যান আমাদের রেকর্ডে নেই’, তিলজলাকাণ্ডে বিস্ফোরক পুর-কমিশনার
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে তৎপর নতুন রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে সরকার গোড়েছে বিজেপি। দুর্নীতি, তোলাবাজি থেকে শুরু একাধিক ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তোলাবাজি, জোরজুলুম করে টাকা আদায়, ভয় দেখানো, হুমকি-সহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন বিভিন্ন জায়গা থেকে। তার মধ্যেই অন্যতম বরানগরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শান্তনু মজুমদার ওরফে মেজ।
বরানগরের তৃণমূল কাউন্সিলারের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে সেখানকার বর্তমান বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, ‘আমি যেটা শুনেছি, কোনও একজন মহিলার থেকে ভাড়াটে উচ্ছেদের জন্য টাকাপয়সা নিয়ে হাবিজাবি কাণ্ড করেছিল। এখন গ্রেফতার হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। জন প্রতিনিধি যদি এই চেহারার হয়, তাহলে সেই দলের ভবিষ্যৎ যে অন্ধকার এ নিয়ে কোনও ভুল নেই। দল হারতে পারে, জিততে পারে। কিন্তু জন প্রতিনিধিরা যদি এভাবে শহরের মধ্যে সালিশি সভা ডাকতে শুরু করে, তাহলে বুঝতে হবে এখানে আইন বলে কিছু নেই। এ করেনি এমন কোনও দুষ্কর্ম নেই। আইন এতদিন ব্যবস্থা নেয়নি। এখন আইন সক্রিয়। আইন সক্রিয় নিরপেক্ষ ভাবে। অভিযোগ যাবে, প্রাথমিক তদন্ত হবে, গ্রেফতার হবে। তার ধর্ম, রাজনৈতিক রং দেখা হবে না। এটাই বিজেপি, এটাই বিজেপির সরকার।’
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একদম ‘অ্যাকশন’ মোডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। এই প্রথম রাজ্যে সরকার গড়েছে বিজেপি। শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতি মতো একাধিক কাজ শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার। একাধিক জায়গায়, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা-কর্মী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় পুলিশের জালে ধরা পড়লেন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগের আঙুল ওঠা এলাকার যুব তৃণমূল নেতা-সহ জোড়াফুল শিবিরের ৩ সদস্য। ৩ জনের বিরুদ্ধে জুলুমবাজি, জোর করে জমি দখল, হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। একাধিক অভিযোগে যুব তৃণমূল নেতা, TMCP নেতা-সহ ৩ ভাই গ্রেফতার। বাবুলাল ও ছোট্টুর ৪ দিনের পুলিশ হেফাজত, কচি শেখের ৭ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কাটোয়া মহকুমা আদালত।



Post Comment