ইস্তফা দেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল, বিজেপি সরকারের শপথ ২৫ বৈশাখ

ইস্তফা দেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল, বিজেপি সরকারের শপথ ২৫ বৈশাখ

কলকাতা: কারচুপি করে, জোর করে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তাই লোকভবনে গিয়ে ইস্তফা দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। তবে আর পশ্চিমবঙ্গর মুখ্যমন্ত্রী রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ায় মমতার মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল এন রবি। ফলে এখন মমতা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূলনেত্রী। (Mamata Banerjee No Longer CM)

রাজ্যপালের দফতর থেকে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘২০২৬ সালের ৭ মে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলাম আমি’। ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হল বলে জানানো হয়েছে। মমতা নিজে ইস্তফাপত্র দিতে যাননি। তাই মেয়াদ সম্পূর্ণ হলে আপনা আপনিই তাঁর সরকারের অবসান ঘটবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন আইনজ্ঞরা। (West Bengal Assembly Dissolved)

আরও পড়ুন: ‘মানসিক দংশনে’ ভুগছেন শুভেন্দু অধিকারী, চন্দ্রনাথ রথ খুনে বললেন, ‘ভবানীপুরে মমতাকে যদি না হারাতাম…’

পাশাপাশি, এদিনই রাজ্য থেকে আদর্শ আচরণ বিধি প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু, পুদুচ্চেরী, ৪ মে ফল প্রকাশিত পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকেই প্রত্যাহার করা হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। তবে পশ্চিমবঙ্গের ফলতায় এখনও নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি জারি রয়েছে। সেখানে পুনরায় নির্বাচন হতে চলেছে।

আরও পড়ুন: তৈরি হচ্ছে হেলিপ্যাড, বিপুল আয়োজন, ২৫ বৈশাখ ব্রিগেডে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, আসছেন মোদি-শাহ

গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলঘোষণা হয়েছে। যাবতীয় প্রত্যাশা ছাপিয়ে এবার রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। সিপিএম+ISF জোট ২টি, কংগ্রেস ২টি এবং হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। কিন্তু এই ফলাফল মানতে অস্বীকার করেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে বিজেপি ভোট লুঠ করেছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। 

পরাজয়ের একদিন পরই সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। সেখানে ১০০-র বেশি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। মমতা জানান, বিজেপি-র বিরুদ্ধে নয়, তৃণমূলকে লড়াই করতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। তাঁরা হারেননি, নৈতিক জয় হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। ইস্তফার প্রশ্নে জানান, জিতলেও রাজভবনে যেতেন না তিনি। জোর করে হারানো হয়েছে তাঁকে। তাই ইস্তফা দিতে যাবেন না। কালীঘাটে বিজয়ী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকেও ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন মমতা। ভোটলুঠের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপই ইস্তফা দিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।



Previous post

Chandranath Ruth Case: কী ভাবে মৃত্যু হল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

Next post

‘অত্যাচারীদের পাশে দাঁড়ান, নেত্রীর নির্দেশ কর্মীদের’, শিরোনাম ‘জাগো বাংলা’-য় !

Post Comment

You May Have Missed