“আকাশ ছোঁয়া বান এসে ২০ জন পড়ুয়াকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল”, নেপালের বাসিন্দার চোখের সামনে ভয়াবহ দৃশ্য

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, নেপাল: নেপাল বিপর্যয়ের ৬ দিন পার, এখনও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধারের কাজ। ত্রিশূলি বিদ্যুৎপ্রকল্পের সুড়ঙ্গে কেউ আটকে আছেন কিনা, তা দেখতে চলছে খোঁজ। সুড়ঙ্গের উপরের ভাগ উড়িয়ে ভিতরে নামবেন উদ্ধারকারীরা। নেপাল বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা ৯০৩, নিখোঁজ ৪ হাজার দু’শোর বেশি। নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে কাদা-পাথরের স্তূপ সরিয়ে চলছে প্রাণের খোঁজ। ২৬ অগাস্ট সকালে ঠিক কী ঘটেছিল, এবিপি আনন্দ-র মুখোমুখি প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

আরও পড়ুন, মর্মান্তিক, মালবাজার থেকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার পথেই মুখোমুখি সংঘর্ষ, বাইক থেকে ছিটকে সব শেষ, ভয়াবহ দুর্ঘটনা উত্তরবঙ্গে

এবিপি আনন্দ : এই বিপর্যয়ের পরে, দুটি ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল সমাজ মাধ্য়মে। তখন দেখা গিয়েছিল, জলোচ্ছ্বাস কতটা দানবীয় হতে পারে, দু দুটি ব্রিজকে ভেঙে, সেই জলোচ্ছ্বাস এগিয়ে যায়। কী ঘটেছিল ? কী দেখেছিলেন আপনি ? যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল , সেই ব্রিজই ছিল এখানে ?

প্রত্যক্ষদর্শী: হ্যাঁ। (নতুন ও পুরনো ব্রিজ প্রায় পাশাপাশিই ছিল, হাত দিয়ে দেখান প্রত্যক্ষদর্শী)। যখন বান আসছিল, তখন আমি ওই পাড় থেকে দাদিকে নিতে এসেছিলাম। …দেখতেই দেখতে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন স্কুল পড়ুয়া , সবাই ভেসে গেল।

এবিপি আনন্দ :স্কুল পড়ুয়ারা ভেসে গেল ?

প্রত্যক্ষদর্শী:  হ্যাঁ। দেখতেই দেখতে আকাশ ছোঁয়া বান এল। সব কিছু ভেসে চলে যায়। ..

এবিপি আনন্দ : দুটো ব্রিজই আপনার চোখের সামনে ভেসে যায় ?

প্রত্যক্ষদর্শী: পুরনো ব্রিজটা ভাঙতে দেখিনি, তবে নতুন ব্রিজটা আমার চোখের সামনেই ভেসে যায়।

ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর, পারাপার করতে ১২ ঘণ্টা সময় লাগছে। কিন্তু আগে যা মুহূর্তেই পৌঁছনো সম্ভব হত। তবে এই ব্রিজ পুনরায় কবে আবার তৈরি হবে, মানুষ পারাপার করতে পারবে, তা সময় বলবে।

Post Comment

You May Have Missed