অনুকূল, অভিজিতের ৫ উইকেট, ব্যাটে, বলে অনবদ্য শাহবাজ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দুরমুশ করল পূর্বাঞ্চল

বেঙ্গালুরু: প্রথম ইনিংসে বাংলার দুই ক্রিকেটার সুদীপ ঘরামি এবং শাহবাজ আমেদ (Shahbaz Ahmed) দুরন্ত শতরান হাঁকিয়েছিলেন। সেই দুই শতরানে ভর করেই ৪৬৭ রান বোর্ডে তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। সেই ইনিংসের পর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ইনিংস ও ২১০ রানের বিরাট ব্যবধানে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দুরমুশ করে দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করল পূর্বাঞ্চল।

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইনিংস ১১১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। অভিজিৎ সরকার নিজের মিডিয়াম ফাস্ট বোলিংয়ে ভর করে পাঁচ উইকেট নেন। শাহবাজ দুরন্ত ব্যাটিংয়ের পর বল হাতেও তিন উইকেট নিয়েছিলেন। ফলো অন করতে নেমে গতকাল রাতে কোনও উইকেট হারায়নি উত্তর-পূর্বাঞ্চল। তবে আজ সকালে খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না তাঁরা।

আরও পড়ুন:- ২ উইকেট নিলেন প্রসিদ্ধ, তাও পসিন্দুর অর্ধশতরানে লাঞ্চপূর্বে দ্রুত গতিতে শতাধিক রান করল শ্রীলঙ্কা 

দিনের শুরুটা অনবদ্যভাবে করেছিলেন মহম্মদ শামি। তাঁর আগুনে গতি এবং অনবদ্য ইনস্যুইং এবং আউটস্যুইংয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ব্যাটাররা নাকানি চোবানি খাচ্ছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও কোনও উইকেট পাননি তিনি। বরং তাঁর তৈরি করা চাপ থেকে লাভবান হন বাকিরা। মুকেশ কুমার পূর্বাঞ্চলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন।

এরপর তো স্পিনাররা আসার পর তাসের ঘরের মতো ভাঙে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ব্যাটিং। নিরন্তর ব্য়বধানে উইকেট হারাতে থাকে তারা। কেবল জোতিন এবং আকাশ চৌধুরীই নবম উইকেটে বলার মতো  ৩৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। জোতিন ৩৯ ও আকাশ ২৭ রানের ইনিংস খেলেন। তবে তা জয় তো দূর পূর্বাঞ্চলের রানের কাছে পৌঁছনোর জন্যও যথেষ্ট ছিল না। 

 

ইনিংসে পাঁচ পাঁচটি উইকেট নেন অনুকূল রায়। এক উইকেট নেন শাহবাজ আমেদ এবং ব্যাটে সাফল্য না পেলেও, আরেক বাঁ-হাতি স্পিনার বল হাত জোড়া উইকেট নেয়। সেই বোলার আর কেউ নয়, বৈভব সূর্যবংশী। সে একই ওভারে দুই দুইটি উইকেট নেয়। ম্যাচে ১৬৭ রান করার পাশাপাশি চারটি উইকেট নেওয়ায় ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় বাংলার শাহবাজ আমেদকেই। গোটা ম্যাচজুড়ে দুরন্ত কিপিং করেন পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। তিনি অবশ্য ব্যাটে রান পাননি। 



Post Comment

You May Have Missed