West Bengal Assembly Elections 2026: প্রত্যেক বামপন্থী মানুষকে বলছি, যদি আপনাদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে চান, তাহলে বিজেপিকে ভোট দিন : শমীক
Last Updated:
West Bengal Assembly Elections 2026: প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে কাশীপুর থেকে যাদবপুরে এসে জয়লাভ করেছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরে এই কেন্দ্রটি তাঁর অন্যতম শক্তিশালী রাজনৈতিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়। টানা ২৪ বছর তিনি এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন এবং মন্ত্রী হিসেবে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরে দায়িত্ব সামলেছেন। তবে রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়ায় ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মণীশ গুপ্তের কাছে তিনি পরাজিত হন, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় ধাক্কাগুলির একটি।োq
কলকাতা: নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখার স্বার্থেই ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রত্যেক বাম সমর্থককে বিজেপির হয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷ মঙ্গলবার যাদবপুরের সুলেখা মোড়ে যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করেন তিনি৷ প্রসঙ্গত, এই কেন্দ্র থেকেই বামেদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য৷
এদিন মঞ্চে বক্তৃতা করতে উঠে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘প্রত্যেক বামপন্থী মানুষের কাছে আহবান করছি, যদি আপনাদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে চান তবে বিজেপিকে সরাসরি ভোট দিন৷’’
বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, ‘‘এই নির্বাচনে বিজেপি আর তৃণমূল ছাড়া অন্য সব দল দর্শক৷ এই বাইনারি ২০১৯ সাল থেকে তৈরি হয়েছে৷ বাকিরা রাজনৈতিক ধারাভাষ্য দিন৷’’
এদিনের মঞ্চ থেকে সিঙ্গুরের ইতিহাসও তুলে ধরেন শমীক৷ বলেন, ‘‘২০১১-এর ভোটের সময় কেউ বুঝতে পারেনি সিপিএম হারতে চলেছে৷ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ল্যাটারাল এন্ট্রি নেওয়া একজন জিতলেন৷ কিছুদিনের মধ্যেই ঘৃণ্য রাজনীতি শুরু করলেন মমতা ব্যানার্জি৷ ’’
রাজ্যে শিল্প আনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির কটাক্ষ, ‘‘প্রতি বছর বিজিবিএস করছেন সেখানে এখানকার শিল্পপতিরা এসে বলছেন শিল্পের উন্নতি অসম্ভব৷ আর সব শিল্প এখান থেকে অন্য রাজ্যে নিয়ে গেছে৷ সিঙ্গুরে মমতা ব্যানার্জি সর্ষে গাছ পুঁতে এলেন৷ আর সর্ষে ফুল দেখতে পেলেন না মানুষ৷’’
প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে কাশীপুর থেকে যাদবপুরে এসে জয়ী হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷ পরবর্তীকালে এই কেন্দ্রটি তাঁর অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ঘাটিতে পরিণত হয়৷ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন এবং মন্ত্রী হিসেবে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ সামলেছেন৷ রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়ায় ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মণীশ গুপ্তের কাছে তিনি এই কেন্দ্রে পরাজিত হন, যা ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় ধাক্কা৷




Post Comment